জাতীয়

চট্টগ্রামে চারদিনের আবাসন মেলা

নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির নাগরিকদের আবাসনের স্বপ্নপূরণে প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিহ্যাবের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কৈয়ুম চৌধুরী।

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রামে চার দিন ব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ারঅনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পরিচালক মো. ওমর ফারুক ও দিদারুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ ফ্রেরুয়ারি পর্যন্ত নগরীর রেডিসন ব্লু বে বিউতে ওই আবাসন মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৫৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

তাইওয়ানে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প

তাইওয়ানের শহর হুয়ালিয়েনে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, এ ঘটনায় একটি ভবন উল্টে গেছে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দ্বীপটি পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।

এদিকে ভূমিকম্পের পর সেখানকার বাসিন্দারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, রাস্তা ও উঁচু ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, জরুরি বাহিনী আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।

তাইওয়ান দ্বীপটি দুটো টেকনোটিক প্লেটের মাঝে অবস্থিত। তাই প্রায়ই সেখানে ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে।

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

Gold

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনা পাচারকালে সোনার বারসহ বাংলাদেশ বিমানের দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দারা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০টি সোনার বার জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন- জাফর ইকবাল ও জয়দেব দাস।  

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, জাফর ইকবাল ও জয়দেব দাস বাংলাদেশ বিমানের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে কাজ করছিলেন তাঁরা। এরপর এই দুই কর্মী এয়ারক্রাফটের ভেতরে লুকানো সোনার চালান শরীরের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে নিয়ে পাচার করছিলেন।

তিনি আরো বলেন, গোপন সংবাদ পেয়ে জাফর ও জয়দেবের দেহ তল্লাশি করে শুল্ক গোয়েন্দারা সোনার ৪০টি বার জব্দ করেন। জব্দ হওয়া সোনার পরিমাণ ৪ কেজি ৬৪০ গ্রাম। এর বাজার মূল্য ২ কোটি ৩ লাখ টাকা।

বিস্তারিত

বিনোদন

Boliud

আর মাধবন এই নামটি নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু, আর মাধবন সম্পর্কে এমন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য আছে যা অনেকেই জানেন না। আর এই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাঁর শিক্ষা-দীক্ষা। আর মাধবন শিক্ষা-দীক্ষায় এই মুহূর্তে বলিউডে সবচেয়ে উপরে রয়েছেন বলেই দাবি করা হচ্ছে। তাঁর মতো শিক্ষিত অভিনেতা নাকি এই মুহূর্তে নাকি বলিউডে নেই। 

১৯৭০ সালে ভারতের জামশেদপুরে এক তামিল পরিবারে জন্ম মাধবনের। কোলাপুরের রাজারাম কলেজ থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক হন তিনি। এমনকী ক্লাস টেনের পরীক্ষাতেও ডিস্টিংশন পেয়েছিলেন। মাধবনের বাবা রঙ্গনাথন ছিলেন টাটা স্টিলের ম্যানেজমেন্ট এক্সিকিউটিভ। মা সরোজা ছিলেন ব্য়াঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ম্যানেজার। মাধবনের দিদি দেবিকাও পড়াশোনায় যথেষ্ট কৃতী। তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।

১৯৮৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়ই মাধবন স্কলারশিপ- নিয়ে ভারতের সাংস্কৃতিক দূত হিসাবে নিযুক্ত হন। এর জন্য তাঁকে এক বছর কানাডার আলবার্তার স্টেটলার-এ কাটাতে হয়েছিল। কানাডা থেকে ফিরে এসে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাও সম্পূর্ণ করেছিলেন মাধবন। দেশে ফেরার পরে ২২ বছর বয়সে মাধবন মহারাষ্ট্রের এনসিসি ক্যাডারের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন এবং মহারাষ্ট্র এনসিসি ক্যাডার দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড সফরেও যান। সেখানে ব্রিটিশ আর্মি, রয়্যাল নেভি এবং রয়্যাল এয়ারফোর্স-এর সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেন। একটা সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীতেও যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন মাধবন। কিন্তু, ৬ মাস বয়স বেশি থাকায় সেই সুযোগ তাঁর হাতছাড়া হয়ে যায়।

এরপর মাধবন পাবলিক স্পিকিং এবং পার্সোনালিটি ডেভলপমেন্ট-এর উপর টিচিং কোর্স-এ ভর্তি হয়ে যান। মুম্বইয়ের কৃষিণচাঁদ কলেজ-এ পাবলিক স্পিকিং নিয়ে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন-এও ভর্তি হন। এই সময়ই পাবলিক স্পিকিং-এর ইন্ডিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ-এ সেরা হন মাধবন। এর সুবাদে ১৯৯২ সালে টোকিও-য় ইয়াং বিজনেস ম্যান কনফারেন্সেও প্রতিনিধিত্ব করেন। মুম্বই-এ থাকাকালীন মাধবন তাঁর একটি পোর্টফোলিও বানান এবং তা একটি মডেলিং এজেন্সি-তে জমা করেন।

এই পোর্টফোলিও বানানোর পর তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ ছিল সিনেমাটোগ্রাফার তথা অ্যাড-ফিল্ম মেকার সন্তোষ শিবনের তৈরি একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন-এ কাজের সুযোগ। স্যান্ডেল ট্যালক-এর বিজ্ঞাপনে কাজ করেই সন্তোষ শিবনের নজরে পড়ে যান মাধবন। পরে মণিরত্নমের একটি ছবির তাঁর নাম সুপারিশ করেন শিবন। ১৯৯৭ সালে 'ইরুভার' বলে মণিরত্নমের ছবিতে স্ক্রিন টেস্টও দেন তিনি। পরে মণিরত্নম তাঁকে 'তামিজশেলভন' নামে একটি ছবির লিড-রোল-এর জন্য নির্বাচিতও করেছিলেন। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে ছবি থেকে মাধবন-কে বাদ দিয়ে দেন মণিরত্নম। তাঁর যুক্তি ছিল ছবির লিড রোল করার ক্ষেত্রে মাধবনের চোখ উপযুক্ত নয়। কারণ, মাধবণের চোখ একদম কিশোর বয়সী ছেলেদের মতো, তাই তাঁকে লিড রোল দেওয়া যাবে না।

মাধবন অবশ্য হতাশ হনিন। তিনি টেলিভিশন থেকে একগুচ্ছ অফার পেতে শুরু করেন। যার মধ্যে ছিল ডিডি মেট্রো-র বেশকিছু ফিল্মি-গান-এর এপিসোডেও অ্যাঙ্কারিং-এর সুযোগ পেয়ে যান। সেই সঙ্গে জি-টিভির একাধিক সিরিয়ালেও অভিনয় করতে শুরু করেন। ‘সি-হক’ বলে দূরদর্শনের একটি সিরিয়ালে মাধবনের অভিনয় বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিল।

বিস্তারিত

খেলাধুলা

Mominul

ঘটনা ১ : ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য ঘোষিত প্রথম দুই ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন ইমরুল কায়েস। কিন্তু ইনজুরির কারণে নাকি মাঠে নামার মতো অবস্থায় নেই। ওদিকে ফিটনেস ফিরতে ফিরতে জাতীয় দলে প্রয়োজনীয়তা ফুরোল এই ওপেনারের। পরের দুই ম্যাচের দল থেকে তাই বাদ পড়েন ইমরুল; তাঁকে  পাঠিয়ে দেওয়া হয় বিসিএলে খেলার জন্য। ওখানে সেঞ্চুরির পর কী খেয়াল হয় নির্বাচকদের! শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালের আগের দিন স্কোয়াডে আবার ডেকে পাঠানো হয় ইমরুলকে।

পাঁচ ম্যাচের সিরিজের মধ্যে জাতীয় দলে আসা-যাওয়া তাঁর তিনবার। ম্যাচে নামার সুযোগ হয়নি অবশ্য একবারও।

ঘটনা ২ : নির্বাচকদের ভাবনার চৌহদ্দিতে ছিলেন না আব্দুর রাজ্জাক। তাঁর জাতীয় দলে ফেরার আশাটা ছিল দুরাশার নামান্তর। ত্রিদেশীয় সিরিজ ফাইনালে সাকিব আল হাসান চোট পাওয়ার পরও বিবেচিত হয় না এই বাঁহাতি স্পিনারের নাম। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের বিকল্প হিসেবে তানভীর হায়দার ও সাঞ্জামুল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি যার প্রমাণ। কিন্তু পরদিন আবার হুট করেই যেন নির্বাচকদের মনে পড়ে রাজ্জাককে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঁচ শ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছেছেন কিছুদিন আগে; সে সূত্রে আলোচনায় ছিলেন প্রবলভাবে। ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে ও জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা মিলে রাজ্জাক ও ১০ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছা তুষার ইমরানকে দেওয়া সম্মাননায় সে আলোচনার আগুন উসকে যায় আরো। ব্যস, সাকিবের বিকল্প তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম টেস্টের জন্য ডাক পড়ে রাজ্জাকের।

একাদশে সুযোগ হয় না অবশ্য। আর দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াড থেকে একরকম বাদ দিয়ে রাজ্জাককে প্রিমিয়ার লিগে খেলার জন্য পাঠিয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত হয় একরকম। প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ওই বার্তা দেওয়া হয় এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে। কিন্তু কী মনে করে যেন পরে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য আবার রেখে দেন নির্বাচকরা!

ঘটনা দুটো আপাত সম্পর্কহীন মনে হতে পারে। তবে তা একই সুতায় গাঁথা। সে গাঁথুনিতে মালা হয় না, বরং গাঁথা মালা যেন যায় ছিঁড়ে ছিঁড়ে। জাতীয় দল নির্বাচনের গোলমেলে অবস্থার প্রতিফলন যে তাতে! ‘স্বাধীনতা’ আর ‘স্বেচ্ছাচার’-এর বিভেদরেখা মুছে গিয়ে যার ভুক্তভোগী বাংলাদেশ দল। চন্দিকা হাতুরাসিংহে-পরবর্তী যুগে জাতীয় দল নির্বাচন যে কোনো নির্দিষ্ট ছকে, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় এগোচ্ছে না—তা এখন কুয়াশাঢাকা সত্য নয়, প্রখর সূর্যালোকের মতোই স্পষ্ট।

ওই শ্রীলঙ্কান কোচ ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বেসর্বা। নির্বাচক প্যানেলে তাঁর প্রবেশে প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ পদত্যাগ করেন ঠিক। তবে তাতে বয়েই গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের! হাতুরাসিংহকে সর্বময় কর্তৃত্ব দিয়ে রাখেন তাঁরা। নির্বাচকরা হয়ে যায় শুধুই ‘নাচের পুতুল’। তা আগের ওই সময়ে তো তবু শুধু হাতুরাসিংহের কথায় ‘নাচলে’ হতো, এখন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও হাবিবুল বাশারকে ‘নাচতে’ হয় অনেকের কথায়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট, প্রভাবশালী পরিচালকদের নির্দেশনায়।

হাতুরাসিংহের অনেক সিদ্ধান্ত হয়তো ভুল ছিল, তবে তা ক্রিকেটীয় দৃষ্টিকোণ থেকে। কিন্তু এখন তো অক্রিকেটীয় বিবেচনার চর্চাই হচ্ছে বেশি। যে কারণে কোনো পরিকল্পনায় স্থির থাকার জো নেই নির্বাচকদের।

ইমরুলকে নিয়ে টানাহেঁচড়া ‘সহজ’ বলে তা করা যায়; জনপ্রিয়তার প্রথম সারিতে তিনি নেই যে! ওদিকে সাকিবের বিকল্প হিসেবে স্কোয়াডে ডাকা হয় তিনজনকে। ক্রিকেট ইতিহাসে একজনের জায়গায় তিনজনকে ডাকার কোনো উদাহরণ নিশ্চিতভাবেই নেই আর। স্কোয়াডে ছয়জন স্পেশালিস্ট স্পিনার রাখার উদাহরণই বা কোথায়! আবার যতটা সম্মান দিয়ে রাজ্জাককে স্কোয়াডে নেওয়া হয়, তার চেয়েও অসম্মান দিয়ে বের করে দেওয়ার জোগাড়ও হয়। কিন্তু সমালোচনার ভয়েই বোধকরি ও পথে হাঁটেননি নির্বাচকরা। বলা ভালো, বোর্ড হাঁটেনি। অফ দ্য রেকর্ডে তো দল নির্বাচন নিয়ে নিজেদের অসহায়ত্বের রেকর্ড কম বাজান না নির্বাচকরা!

প্রথম টেস্টে একাদশে থাকা সাঞ্জামুল ইসলাম আবার বাদ দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াড থেকে। এক-দুই ম্যাচ খেলিয়ে বাদ দেওয়ার কুঅভ্যাস থেকে তো বেরিয়ে এসেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট। সেটি কি তবে ফিরে আসছে আবার? সাব্বির রহমানের ব্যাপারটি আরো কৌতূহলোদ্দীপক। দর্শক পিটিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ তিনি। প্রথম টেস্টের একাদশে ছিলেন না। আবার কিছু না করে, কোথাও না খেলে দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াডে ফিরেছেন। এটিও তো সেই এক-দেড় যুগ আগের বাংলাদেশের ক্রিকেটকেই মনে করিয়ে দেয়।

ফারুক আহমেদ তাই উদ্বিগ্ন। দ্বিস্তরবিশিষ্ট নির্বাচক কমিটির প্রতিবাদে পদত্যাগ করা জাতীয় দলের সাবেক এই প্রধান নির্বাচকের কথায় খেলে যায় আশঙ্কা, ‘আমার মনে হচ্ছে, জাতীয় দল নির্বাচন এখন আর শুধু দুই নির্বাচক করেন না। এখানে আরো অনেকেই জড়িত। এটি কাম্য নয়। ভালো হোক বা খারাপ হোক, নির্বাচকদের কার্যক্রমে একটা পরিকল্পনা থাকতে হবে। ধারাবাহিকতা থাকতে হবে। সেটি এখন দেখতে পাচ্ছি না, যা আমাকে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন করছে।’

দুই নির্বাচক মিনহাজুল ও হাবিবুল কতটা উদ্বিগ্ন, তা অবশ্য নিশ্চিত নয়। এত দিন চন্দিকা হাতুরাসিংহের নির্দেশনা মেনে চলেছেন; এখন বোর্ডের প্রভাবশালীদের মনোতুষ্টি করে চলাই যেন নিজেদের ব্রত করে নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক দুই অধিনায়ক। তাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট পরিকল্পনাহীনতার ঘূর্ণাবর্তে পড়ে গেলেই কী!

ঢাল হিসেবে নিজেদের ‘অসহায়ত্ব’ তো রয়েছেই দুই নির্বাচকের জন্য।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

shami

সম্পর্ক বজায় রাখতে স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য কম হওয়া উচিৎ। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কম হলে সংসারের স্থায়িত্ব বেশি হয়, একে অপরের মন বুঝে চলার ক্ষমতা জন্মায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রায় তিন হাজার মানুষের উপর এক সমীক্ষা চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের পার্থক্য বাড়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের হারও বেড়ে যায়। স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য ৫ বছর হলে তাদের বিচ্ছেদের আশঙ্কা সমবয়সী দম্পতির তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি। বয়সের পার্থক্য ১০ বছর হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা ৩৯ শতাংশ এবং ২০ বছর হলে ৯৫ শতাংশ বেড়ে যায়। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের উপরও বিচ্ছেদের ব্যাপার অনেকাংশে নির্ভরশীল। সম্পর্ক যত ঘনিষ্ঠ হবে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা ততই কম।

গবেষণায় আরও বলা হয়, বয়সের বেশি ব্যবধানে বিয়ের পরেও কমপক্ষে ২ বছর একসঙ্গে থাকলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা ৪৩ শতাংশ কমে আসে। আবার ১০ বছর একত্রে থাকলে তা ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসে।

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭