বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
দুর্গাপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান মেসির সর্বকালের সেরা নিয়ে সন্দেহ থাকলে সে ফুটবল বোঝেন না : জিদান এবার মহাখালীর পুরনো ভবনে আগুন ‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটা বিকৃত করে অনেক মানুষ ফায়দা লুটেছে : আরশ খান ফেনীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশ দুর্বল ১০ ব্যাংকে বিগত সরকারের দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপের কারণে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়েনি : রিজভী ইরানের সন্দেহজনক ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনায় বেড়েছে নির্মাণকাজ বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ ০৪(চার) জন চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

দুর্গাপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার তেরীবাজার সংলগ্ন সোমেশ্বরী নদীপাড়ে সরকারি খাসজমিতে অবৈধ দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেডসহ প্রায় সাতটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

জানা গেছে, দুর্গাপুর পৌরসভার তেরীবাজার সংলগ্ন সোমেশ্বরী নদীপাড় এলাকায় সরকারি খাসজমি অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন সময়ে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি স্থাপনা বালুঘাট চালু থাকার সময় নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে বালুঘাটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলের স্থাপনাগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিলো দীর্ঘদিন ধরে।

প্রশাসনের দাবি, পরিত্যক্ত এসব স্থাপনার কয়েকটি মাদকসেবী ও মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার, অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং মাদকের আড্ডা বন্ধের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে প্রায় সাতটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে পাকা ও আধাপাকা ঘরের পাশাপাশি টিনশেডের স্থাপনাও ছিল বেশকয়েকটি। উচ্ছেদের পর উদ্ধার হওয়া জায়গা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারি স্বার্থ ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। তেরীবাজার সংলগ্ন নদীপাড়ে সরকারি খাসজমি অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় এসব স্থাপনার কয়েকটি মাদকের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার এবং মাদকের আড্ডা বন্ধ করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে জায়গা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “সরকারি সম্পত্তি ও খাসজমি রক্ষায় প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা এসব স্থাপনা ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি এলাকাটি আরও নিরাপদ হবে বলে আশা করছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102