রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০১৫ সালের অস্ট্রেলিয়ান স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিসাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’। মাত্র ১২ মিনিটের এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ম্যাথু রিচার্ড।
গল্পের মূল চরিত্র উইলি বিংহাম একটি নিরীহ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করে। যেহেতু সেই দেশে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত, তাই আদালত তাকে এক অভূতপূর্ব শাস্তি দেয়, যার নাম ‘প্রগ্রেসিভ অ্যাম্পুটেশন’। এই শাস্তিতে ধাপে ধাপে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে ফেলা হয় এবং ভুক্তভোগীর পরিবার চাইলে তা আরও দীর্ঘ করতে পারে।
একে একে তার হাত, পা, কিডনি, ফুসফুসের অংশ, যৌনাঙ্গ, কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হয়। পরিবারের অন্যরা একসময় এই দৃশ্য সহ্য করতে না পারলেও শিশুটির বাবা প্রতিবারই নির্বিকারভাবে অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করতে থাকেন।
সিনেমার সবচেয়ে শক্তিশালী মোড় আসে একদম শেষে। চূড়ান্ত অস্ত্রোপচারে উইলিকে মৃত্যুর সুযোগ দেওয়া যেত, কিন্তু বাবা সেই ফাইলে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন। মৃত্যুর বদলে তিনি উইলিকে এই পঙ্গু ও যন্ত্রণাময় জীবন নিয়েই বেঁচে থাকতে বাধ্য করেন। বিচার, প্রতিশোধ ও মানবিকতার এই জটিল প্রশ্ন তুলে ধরায় সিনেমাটি আজও বিশ্বজুড়ে আলোচিত।