বগুড়া পুলিশ লাইনসের ভেতর থেকে থেকে আরিফুল ইসলাম (৪০) নামে এক এএসআইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) সকালে পুলিশ লাইন্স কর্মস্থলের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, এএসআই আরিফুল ইসলাম নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘরিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া পুলিশ লাইন্সে বেতার শাখায় কর্মরত ছিলেন। আরিফুল বেতার শাখার ভবনের দ্বিতীয় তলায় অন্য সদস্যদের সঙ্গে থাকতেন। তার স্ত্রী ও সন্তানরা গ্রামের বাড়িতে থাকেন। বৃহস্পতিবার রাতেও তাকে স্বাভাবিক দেখা যায়। শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে সহকর্মীরা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।
একপর্যায়ে বেলা ১০টার দিকে পাশের একটি ওয়ার্কশপের কক্ষের দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকায় সবার সন্দেহ হয়। পরে জানালা দিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ ও অন্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, এএসআই আরিফুল ইসলাম মানসিক কোনো কারণে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কোনো পারিবারিক কলহের তথ্য পাওয়া যায়নি। মানসিক কোনো চাপের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।