বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
দুর্গাপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান মেসির সর্বকালের সেরা নিয়ে সন্দেহ থাকলে সে ফুটবল বোঝেন না : জিদান এবার মহাখালীর পুরনো ভবনে আগুন ‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটা বিকৃত করে অনেক মানুষ ফায়দা লুটেছে : আরশ খান ফেনীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশ দুর্বল ১০ ব্যাংকে বিগত সরকারের দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপের কারণে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়েনি : রিজভী ইরানের সন্দেহজনক ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনায় বেড়েছে নির্মাণকাজ বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ ০৪(চার) জন চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

বিগত সরকারের দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গঠিত হওয়ার পর বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কিছু অনিয়ম দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোকে তদন্তের অধীনে নেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে মোটামুটিভাবে তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের হাতে এলে পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটি মাত্র কারণে হয় না। বরং প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতার বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন প্রস্তুতি দ্রুত করার উদ্যোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশিকা সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে সংশোধন কার্যক্রম চলমান। চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি মনিটরিং জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা ও মাঠ পর্যায়ে নিবিড় তদারকি বাড়ানো হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে। যেসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি, সেগুলোর বিলম্ব, অনিয়ম, ব্যয় বৃদ্ধি ও সংশোধনের কারণ পর্যালোচনা করে বিলম্বের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম, সেসব প্রকল্পের উপযোগিতা ও কার্যকারিতা বিবেচনা করে প্রকল্পগুলো পুনর্বিন্যাস, স্কোপ পরিবর্তন কিংবা চলমান রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কর্তৃক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে প্রকল্প গ্রহণ না করে সমন্বিত কর্মসূচির অধীনে গুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ই-জিপির ব্যবহার সম্প্রসারণের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

নতুন এলএনজি টার্মিনালসহ ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা
সরকারি দলের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আকস্মিক বা সাময়িক গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প খাত যাতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে জন্য দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন ও গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দিচ্ছে সরকার। ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৫০টি কূপ খনন, ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে গত ২৪ মে আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে কমবেশি দৈনিক গড়ে ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন আরেকটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি ল্যান্ডবেজ্ড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ রি-গ্যাসিফায়েড এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলের সুবিধাজনক কোনো স্থানে জরুরি ভিত্তিতে আরেকটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্যাস নেটওয়ার্কে যুক্ত করার বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ নেতা বলেন, ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশের মূল গ্যাস নেটওয়ার্কে নিয়ে আসতে চাইলে সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্তত ৭ বছর লাগবে। তাই ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করে শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে গ্যাসনির্ভর কিছু শিল্প স্থাপনের চেষ্টা চলছে। এর ফলে ভোলা অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির আকারও বাড়বে।

ভোলার গ্যাস যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য সেখানে একটি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো, আমদানি-নির্ভরতা মোকাবিলা এবং শিল্প ও রপ্তানি খাতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান, উৎপাদন ও অবকাঠামো উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নিমিত্তে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

সরকার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপের আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে।

মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করতে সংস্কার
সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মাঠ প্রশাসনকে অধিকতর জনবান্ধব, স্বচ্ছ, দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে সরকার বিদ্যমান নীতি ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বর্তমানে সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তি, পরিদর্শন ও তদারকি, গণশুনানি কার্যক্রম, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প
মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেচ কাজে ডিজেলচালিত পানির পাম্পের পরিবর্তে কৃষকদের সৌরবিদ্যুৎ চালিত পাম্প দেওয়া হবে।

সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর সস্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুতের স্টোরেজের জন্য এখানে দুই ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি হচ্ছে, লেড ব্যাটারি; এটি নরমাল ট্র্যাডিশনের। আরেকটা হচ্ছে লিথিয়াম ব্যাটারি, যেটি পরিবেশবান্ধব। বর্তমান সরকার লিথিয়াম অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘লিথিয়াম ব্যাটারি স্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থাৎ তৈরির ক্ষেত্রে যেসব কলকারখানা স্থাপিত হবে সেটিকে সরকার সব রকম সহযোগিতা দেবে। লিড ব্যাটারিতে এসিডের ব্যবহার হয়, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সে জন্য এটাকে নিরুৎসাহিত করতে চাইছি। ভবিষ্যতে আমাদের চিন্তাভাবনা থাকবে, রুফটপের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন
চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বারইপাড়া খাল খনন প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অধীনে নগরের ২৫টি খাল থেকে আবর্জনা, মাটি উত্তোলনসহ ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সার্ভিস ড্রেন পরিষ্কার, ড্রেনে জমে থাকা মাটি ও আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রম চলমান। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এ ছাড়া নগরীর ৩২টি খাল থেকে আবর্জনা ও মাটি উত্তোলন এবং অপসারণের কার্যক্রম চলছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে বাস্তবায়নাধীন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ৩৬টি খাল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে। প্রকল্পের বাইরে আরও ২১টি খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে।

তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে এয়ারপোর্ট রোডসহ বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ৪৮ কিলোমিটার রাস্তা, ২টি কালভার্ট ও ৬টি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২টি খেলার মাঠ উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আরও ৬টি খেলার মাঠ উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।

পরিবেশ রক্ষা করতে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের পরিবেশ সুন্দর ও সবুজ করতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। এতে তোমাদেরও অংশগ্রহণ করা উচিত। পরিবেশ ঠিক রাখতে তোমাদের বাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনকি তোমাদের আত্মীয়স্বজনদের বাসার আশপাশেও গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’

জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে রাজধানীর ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল সানিডেলের শিক্ষার্থীরা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগের অংশ হিসেবে সংসদে যান সানিডেলের শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102