মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর ১টার দিকে পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এস. এম. মনিরুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন হাওলাদার জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার জুনিয়া গ্রামের মো. হামেদ হাওলাদারের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী জুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বাবা-মায়ের মধ্যে সম্পর্ক না থাকায় সে একই গ্রামে তার মামা নিজাম হাওলাদারের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। স্কুলে যাতায়াতের পথে দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করত। ২০১৮ সালের ৩ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্কুল থেকে ফেরার পথে সুমন তাকে জোরপূর্বক স্থানীয় ফিরোজ পালোয়ান নামের এক ব্যক্তির ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর ওই ছাত্রী বাড়িতে ফিরে তার মামাকে বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়ার আশ্বাস দিলেও ভুক্তভোগীর মামা তাতে রাজি হননি। এরপর ১৬ মার্চ সুমন হাওলাদারকে আসামি করে ভান্ডারিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন তিনি।
মামলার পর পুলিশ আসামি সুমনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামি দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সরদার শাহজাহান এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।