রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

জেল আপিল করেছেন রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন হাইকোর্টে জেল আপিল করেছেন।

রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদন দুটি গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য রয়েছে।

এর আগে রামিসা হত্যায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়।

গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

এ ছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।

এর আগে গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান। ওই দিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

গত ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। এর মাধ্যমে একদিনেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

এরপর ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়। 

গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার পর রুমের জানালার গ্রিল কেটে ১নং আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102