শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
উত্তরা পশ্চিম থানার ষান্মাসিক দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা’: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উত্তরা দিয়াবাড়িতে শুরু হচ্ছে ‘উত্তরা গার্ডেন সেন্টার কর্তৃক বৃক্ষমেলা বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়নরা ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনায় নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জনগণের প্রতি সরকার শতভাগ দায়বদ্ধ’—বাঘাইছড়িতে মীর হেলাল প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের প্রতি সরকার শতভাগ দায়বদ্ধ, বাঘাইছড়িতে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা রাতে খেলা দেখে ফেরার পথে উত্তরায় দুই সাংবাদিক নিহত

দ্বন্দ্ব সংকটে পোশাক খাত

অনলাইন ডেস্ক রির্পোট
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
সুতার ওপর শুল্ক আরোপ নিয়ে পরস্পরের মুখোমুখি পোশাক খাতের শীর্ষ তিন সংগঠন। অভ্যন্তরীণ এই সংকটের কারণে গ্রাহক বা বায়ারদের কাছে ইমেজ সংকটের ঝুঁকিতে পড়েছে। গত ৫ মাস ধরে বিশ্বের ২৬টি দেশে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের তুলনায় কমেছে। সুতা নিয়ে অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে এ খাতের ইমেজ ক্ষুণ্ন হতে পারে।
বিটিএমএর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ট্যারিফ কমিশন ৫ জানুয়ারি সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। পরদিনই ট্যারিফ কমিশন ১০-৩০ কাউন্ট সুতা আমদানি বন্ড সুবিধার বাইরে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠায়। এই প্রক্রিয়ার আপত্তি জানিয়ে ৬ জানুয়ারি ট্যারিফ কমিশনকে পৃথক চিঠি দেয় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)।
বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘সুতা আমদানি নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তায় বিদেশি ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এই দোটানার ফলে তারা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা দেশের পোশাক খাতের দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই সমস্যার সমাধান করতে হলে আমাদের জানতে হবে স্পিনিং মিলের সুতাগুলো অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে কেন।’তিনি আরো বলেন, ‘পোশাক শিল্পে যত প্রতিযোগী দেশ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে অসুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গভীর সমুদ্রবন্দর না থাকায় প্রতিযোগী দেশগুলোর (চীন, ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা) তুলনায় বাংলাদেশের পণ্য পৌঁছাতে ১৫-২০ দিন বেশি সময় লাগে। কারখানা থেকে মালামাল জাহাজে উঠতে এক সপ্তাহ লেগে যায়। এখান থেকে সিঙ্গাপুর যায়, সিঙ্গাপুর ফিডার ভেসেলে গিয়ে ওখান থেকে মাদার ভেসেল ধরতে হয়। দেখা যায় অন্য দেশের তুলনায় আমাদের লিড টাইমটা অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন বেশি লাগে। ভিয়েতনামের একজন শ্রমিক যেখানে ঘণ্টায় ৩২০ পিস উৎপাদন করেন, সেখানে বাংলাদেশের শ্রমিকের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ পিস। এ ছাড়া গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেশি। ইন্টারেস্ট রেট বেশি। এত অসুবিধা নিয়ে আমরা যে প্রতিযোগিতায় টিকে আছি, এটাই তো বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102