বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২য় বৈঠক অনুষ্ঠিত সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী শিক্ষাঙ্গনে মব-সহিংসতা : তদন্তে আসছে জাতিসংঘ আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে দুর্গাপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত কাশেম গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট হাসিনা যা বলে তা কখনো করে না : আমানউল্লাহ আমান মাঠে মাঠে সতেজ আগাম সবজি, বন্যার ক্ষতি কাটানোর স্বপ্ন মেসির বিদায়ী ভাষণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এনজো ড্রোন হামলা ঠেকাতে পাকিস্তানের ভরসা মাছ ধরার জাল এই মাঠ ছাড়তে চাই না, শান্তি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি: মেসি

মাঠে মাঠে সতেজ আগাম সবজি, বন্যার ক্ষতি কাটানোর স্বপ্ন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ভয়াবহ বন্যায় একের পর প্লাবিত হয় চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কৃষিজমি। ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন উপজেলার ২৬ হাজার কৃষক। তবে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তার। মাঠজুড়ে এখন আগাম সবজির ফলন। বাজারে মিলছে কাঙ্খিত দামও।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের মাঝামাঝিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাঁশখালীতে প্রায় ২৬ হাজার ৮০০ জন কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫৫ কোটি টাকা।তবে এই সংকট কাটাতে সেখানে চলছে শীতকালীন সবজি চাষ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার জলদী, বৈলছড়ি, কালীপুর, সরল, কাথারিয়া, গণ্ডামারা, পুঁইছড়ি, সাধনপুর, পুকুরিয়া ও শীলকূপসহ পাহাড়ি ও সমতল এলাকায় এবার মূলার বাম্পার ফলন হয়েছে। পাশাপাশি টমেটো, শিম, বরবটি, তিতকরলা, চিচিঙ্গা ও কাকরোলের মতো সবজির আশাব্যঞ্জক চাষাবাদ হয়েছে।

স্থানীয় বাজারগুলোর চাহিদা মিটিয়ে এসব সবজি এখন শহরের বাজারেও সরবরাহ করা হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।

কৃষিশ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের আশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সবজির বর্তমান বাজারমূল্য বজায় থাকলে বন্যার ক্ষত কাটিয়ে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বাঁশখালীর কৃষিখাত। জলদীর জুমচাষি ওয়াজেদ মিয়া জানান, পাহাড়ে এক বিঘা জমিতে তিনি মূলার চাষ করেছিলেন, ফলনও হয়েছে চমৎকার। বর্তমানে মিয়ার বাজার, টাইমবাজার ও রামদাস মুন্সির হাটের মতো স্থানীয় পাইকারি ও খুচরা বাজারে প্রতিকেজি মূলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।

ওয়াজেদ মিয়া আরো জানান, এ বছরের বন্যায় তার প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়। সবজির বর্তমান বাজারদর বজায় থাকলে সেই ক্ষতি অনেকটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

আগাম জাতের টমেটো ও মরিচ লাগিয়েছেন গণ্ডামারার কৃষক নূরুল কবির। ফসলের প্রথম চালান তিনি এরই মধ্যে স্থানীয় বাজারে তুলেছেন। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে এবার বেশ লাভবান হওয়ার আশা জানিয়েছেন এই প্রান্তিক কৃষক।

এদিকে, কৃষিখাতকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারি পর্যায়ে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার বলেন, বন্যায় ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সার, মানসম্মত বীজসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও পরামর্শমূলক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102