বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য ১৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির আহ্বায়ক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায়। উদযাপন ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপ-কমিটির দায়িত্ব ছিল। কিন্তু কোনো কারণে হয়তো জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়নি। আলোকসজ্জা দুই দিনের ছিল। কিন্তু শুরু করতে একটু দেরি হয়েছে। তবে আগামীতে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রাখা হবে।
সমালোচনার মুখে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বিজয় দিবসের শেষভাগে এসে একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, উদযাপন কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা নির্ধারিত সময়ে কাজটি করতে পারেনি। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তবে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিবসে এমন সীমিত, প্রতীকী আয়োজন কি কেবল সময়ের গাফিলতি। নাকি এর পেছনে রয়েছে প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের গভীর অভাব। এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডর থেকে ক্যাম্পাসজুড়ে।