শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির আহ্বায়ক আবু বকর সম্পদ, সদস্যসচিব মাহফুজ মাদকমুক্তির ডাক, নিকুঞ্জ টানপাড়ায় শুরু নতুন সামাজিক আন্দোলন , অটোরিকশামুক্তির সাফল্যের পর এবার মাদকমুক্ত নিকুঞ্জ টানপাড়ার লড়াই ১৩ নং সেক্টর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে ভোট গণনা মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবা-মেয়েকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি; আটক ১ জন অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী চাকরি পেলেন সাতক্ষীরার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শারমিন, জানালেন কৃতজ্ঞতা উত্তরা সেক্টর ১৩ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নির্বাচনে সভাপতি পদে দেলোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অঙ্গীকার উত্তরা ১৩ নং সেক্টর ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন আগামী ৩১ জুলাই টঙ্গী স্টেডিয়ামের সামনে ময়লার ভাগার অপসারণের দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন

১৬ হাজার টাকায় পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পেলেন জুয়ার এজেন্ট

অনলাইন ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

সারা দেশে মাদক ও অনলাইন জুয়া নিয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে সরকার। এরপরও মো. কাইছার নামে এক অনলাইন জুয়ার এজেন্টকে আটক করে ১৬ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছেন কক্সবাজারের পেকুয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মোরশেদ আলম।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যার দিকে টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের এক দোকান থেকে কাইছারকে আটক করেন এএসআই মোরশেদ। তখন কাইছারের মোবাইলে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার অ্যাপস ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য পান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর ছেড়ে দিতে কাইছারের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি। দীর্ঘ দর কষাকষির পর বিকাশের মাধ্যমে ১৬ হাজার টাকা আদায় করেন এএসআই মোরশেদ।

জানতে চাইলে মো. কাইছার  বলেন, পাশের এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ধরতে এলে ওই আসামি পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে পালিয়ে যান। এ সময় হঠাৎ আমার মোবাইল টেবিল থেকে নিয়ে নেন এএসআই মোরশেদ। তখন মোবাইলে অনলাইন জুয়ার লেনদেন দেখতে পেয়ে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমার মোবাইল থেকে পেকুয়া চৌমুহনীর একটি দোকানের এজেন্ট নাম্বারে ১৬ হাজার ক্যাশআউট করে আমাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করেন এএসআই মোরশেদ আলম। তিনি বলেন, আমি মোবাইল সম্পর্কে এতো পারদর্শী নই। এসব বিষয়ে আমার ফোর্সের সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছি বলে ফোন কেটে দেন। কিছুক্ষণ পর হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে ঘুস নিয়ে অনলাইন জুয়ার এজেন্টকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলমকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়েছে। তিনি রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102