আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন এবং পাকুন্দিয়া ও গফরগাঁও উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচলের সুবিধার্থে পাকুন্দিয়া উপজেলার মুনিয়ারীকান্দা হতে গফরগাঁও উপজেলার দত্তের বাজার পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ব্রিজ নির্মাণ ও পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বাজার হতে পাগলা থানার টাংগাবর পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর দুটি ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ ও সদস্য সচিব (মাননীয় সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুত ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল) মো. উজ্জল হোসেন সাক্ষরিত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখের এক পত্রে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সরকারি সফরে কিশোরগঞ্জ জেলা সফর করেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি জনসভায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর মুনিয়ারীকান্দা হতে দত্তের বাজার পর্যন্ত সেতু এবং মির্জাপুর হতে টাংগাবর পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবালয়কে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেয় এবং এ বিষয়ে অগ্রগতির প্রতিবেদন দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে অনুরোধ জানায়।
চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরও অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত সেতু দুটি বাস্তবায়িত হলে পাকুন্দিয়া ও গফরগাঁও উপজেলাসহ আশেপাশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার হবে। একই সঙ্গে দুই উপজেলার বিভিন্ন পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি দুই উপজেলায় উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী পরিবহন সহজ হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের ব্যাবসা-বাণিজ্য, কৃষি, শিল্প এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।