মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
নিকুঞ্জে পানিবন্দি মানুষের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ করলো স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশন নেপালে জেন-জি সরকারের বিরুদ্ধে জেন-জি’দের আন্দোলন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন শাবনূর-মৌসুমীরা, তবু ইতিহাস গড়েছিলেন দিলদার বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ট্রলার থেকে ৯ জেলের মরদেহ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ ৬ যুদ্ধবিরতির পর সবচেয়ে বড় হামলা, অস্থির মধ্যপ্রাচ্য বন্যার্তদের পাশে অভিনেতা তৌসিফ, দিলেন আর্থিক অনুদান জাপানকে যেভাবে গুপ্তচরদের আস্তানা বানিয়েছেন পুতিন দেশে ফেরার ঝুঁকি নেবেন না শেখ হাসিনা, মনে করছেন বিশ্লেষকরা যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে মেক্সিকান অভিবাসীর মৃত্যু, দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

নেপালে জেন-জি সরকারের বিরুদ্ধে জেন-জি’দের আন্দোলন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা দিলদার। পর্দায় হাসির ঝড় তোলাই ছিল তাঁর পরিচয়। কৌতুক অভিনেতা থেকে নায়কও হয়েছিলেন এক সিনেমায়। কিন্তু এই দিলদারকে নায়ক হিসেবে দেখতে রাজি ছিলেন না অনেকেই। এমনকি তাঁর বিপরীতে অভিনয়ের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সে সময়ের জনপ্রিয় কয়েকজন নায়িকা। অথচ শেষ পর্যন্ত সেই সিনেমাই হয়ে ওঠে সুপারহিট।

আজ (১৩ জুলাই) এই জনপ্রিয় অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী। তাঁকে স্মরণ করতে গেলে বারবার ফিরে আসে তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘আব্দুল্লাহ’ সিনেমার গল্প।

সিনেমাটির নায়ক হিসেবে দিলদারকে প্রস্তাব দেন নির্মাতা তোজাম্মেল হক বকুল। এমন প্রস্তাব শুনে নিজেই অবাক হয়ে যান দিলদার। নির্মাতাকে নাকি তিনি বলেছিলেন, “আপনি কি আমার পেটে লাথি দিতে আসছেন?” কারণ, তাঁর ধারণা ছিল নায়ক হলে দর্শক তাঁকে গ্রহণ নাও করতে পারে, আর তাতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত কৌতুক অভিনেতার ক্যারিয়ারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নির্মাতার দীর্ঘ অনুরোধ ও বোঝানোর পর শেষ পর্যন্ত রাজি হন তিনি।

তবে নতুন সংকট তৈরি হয় নায়িকা নির্বাচন নিয়ে। সে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী, শাবনূরসহ কয়েকজন শীর্ষ নায়িকার কাছে প্রস্তাব গেলেও তাঁরা দিলদারের বিপরীতে অভিনয়ে আগ্রহ দেখাননি। পরে নির্মাতা অভিনেত্রী নূতনের কাছে প্রস্তাব নিয়ে গেলে তিনি বিনা দ্বিধায় সম্মতি জানান।

কিন্তু তাতেও শেষ হয়নি বাধা। নূতন পরে জানান, সিনেমাটিতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে তাঁকে ফোন করে এই সিনেমা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, দিলদারকে নায়ক করে নির্মিত সিনেমা সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু সব চাপ উপেক্ষা করে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন নূতন।

সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পরও উদ্বেগ কাটেনি নির্মাতা ও প্রযোজকের। হলমালিকদের কাছ থেকেও শুনতে হয়েছিল প্রশ্ন—দিলদারকে নায়ক করে এত বড় ঝুঁকি কেন নেওয়া হলো?

সব সংশয়ের জবাব দেয় দর্শক। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে সিনেমার সুনাম। সে সময়ের হিসেবে ‘আব্দুল্লাহ’ প্রায় ৫ কোটি টাকার ব্যবসা করে, যা ছিল বিশাল সাফল্য।

দিলদারের ক্যারিয়ারে ‘আব্দুল্লাহ’ শুধু একটি সফল সিনেমাই নয়, বরং এটি ছিল প্রচলিত ধারণাকে ভেঙে দেওয়ার এক অনন্য উদাহরণ। যাঁকে নায়ক হিসেবে গ্রহণ করতে অনেকে দ্বিধায় ছিলেন, তিনিই শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ে দেখিয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102