বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন, চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আগামী ৫ দিন বৃষ্টির আভাস হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ভারতের সমর্থন নেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী উত্তরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৯২ শহীদের তালিকা প্রকাশ করল JRA জুলাই গণঅভ্যুত্থানে উত্তরায় সর্বকনিষ্ঠ শহীদ জাবির ইব্রাহীম: এক শিশুর রক্তে লেখা ইতিহাস রাজধানীতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা, যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর প্রতীক শহীদ মীর মুগ্ধ উত্তরা আজমপুরের রক্তাক্ত স্মৃতি: শহীদ তানভীনের অপূর্ণ স্বপ্ন জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে পুশইন করছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। সংগঠনটি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিবাদ জানাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম ভারত কর্তৃক বাংলাভাষী ভারতীয়দের বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবে বাংলাদেশকে অধীনস্থ হিসেবে দেখতে চায়। তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তার অভিযোগ, ভারত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে এবং বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে।তিনি দাবি করেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ও ক্ষমতাসীন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরির চেষ্টা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পুশইন ও সীমান্ত হত্যা ভারতের সম্প্রসারণবাদী নীতির বহিঃপ্রকাশ। সংগঠনটির দাবি, ভারত যেসব ব্যক্তিকে পুশইন করছে, তাদের পরিচয় যাচাই ও নথিভুক্ত করলেও বাংলাদেশকে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য সরবরাহ করছে না।জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ভারত এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশ সরকারকে পুশইনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপন করা উচিত।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীরবতার সমালোচনা করে সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102