ঢাকার ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে নাহিদা আক্তার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ধামরাই পৌরসভার লাকুড়িয়াপাড়া এলাকায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্দেহভাজন ১ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত নাহিদা ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলের বাণিজ্য বিভাগ থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল। নিহতের মা লিজা আক্তার একজন প্রবাসী আর বাবা বরিশালে বসবাস করেন। ওই ছাত্রী তার নানির সঙ্গে বসবাস করে লেখাপড়া করত।
ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হোসেন যুগান্তরকে জানান, সিসি ফুটেজ ও বিভিন্ন গতিবিধি পর্যালোচনা করে কাজের বুয়াসহ ৪-৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে ও আলামত উদ্ধার না করে তদন্তের স্বার্থে এখনই চূড়ান্তভাবে কিছু বলা যাবে না। তবে তিনি আশাবাদী খুব শিগগিরই এ হত্যাকাণ্ডের আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নাহিদা আক্তার সন্ধ্যায় নিজ ঘরে পড়াশোনা করছিল। নানি দুধ আনতে রাত ৮টায় বাহিরে যান। ঘণ্টাখানেক পর বাড়ি ফিরে এসে দেখেন নাহিদা রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে এবং পুরো মেঝে রক্তে ভরা। কে বা কারা ঘরে ঢুকে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
নিহতের নানি জানান, মেয়েটির গলায় ও কানে স্বর্ণের জিনিস ছিল; সেগুলো নেই।
রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গত রাতেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ধামরাই থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহতের গলায় ও মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত ছিল। তবে কী কারণে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে।