উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে কেন্দুয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকা-এর ২০২৫-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন। গত ১১ এপ্রিল (শনিবার) রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের আজমপুরস্থ প্যান ডি এশিয়া রেস্টুরেন্টে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সৈয়দ আলমগীর সভাপতি এবং প্রত্যক্ষ ভোটে মোহাম্মদ রেহান মিয়া সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তিন সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুর রহমান ভূঁঞা জুয়েল। এছাড়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এমডি হাসান তৌফিকুল হক ও সাজিয়া আইরিন।
শনিবার সকাল ১০টা থেকেই সমিতির সদস্যদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করতে দেখা যায়। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর পরাজিত ও বিজয়ী সব পক্ষই হাসিমুখে রায় মেনে নেন।
নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী, সহ-সভাপতি পদে মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও জহিরুল ইসলাম জয়লাভ করেছেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মুস্তাফিজুর রহমান খান পাঠান ও মোহাম্মদ শাহরিয়ার হোসেন খান ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে কাজী মাহবুব আলম বিজয়ী হন।
সম্পাদকীয় পদের অন্যান্যদের মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সারোয়ার জাহান চৌধুরী (পলাশ), দপ্তর সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা পদে ফারাহ জাবিন শাম্মী নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আতাউর রহমান কাদেরী, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. সোহরাব মিয়া এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
এছাড়াও ১৬ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সৈয়দ মোহাম্মদ সিয়াম, মো. শাহরিয়ার কবির মোশাররফ, মো. আনিসুল হক (জুয়েল), মো. আ. সাত্তার ভূঁইয়া, এডভোকেট মোহাম্মদ মতিউর রহমান ভূঁইয়া, মো. আশরাফুজ্জামান, মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মো. গাজী আলম ভূঁইয়া, মো. মিজানুর রহমান তালুকদার, নজরুল ইসলাম, এডভোকেট মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, মো. মোস্তফা-ই-জামান (সেলিম), আশরাফুল ইসলাম জাসাম, মো. আবু জাফর সিদ্দিক, মো. সাদরুল আমীন ও জুবায়ের আহমেদ হেলালী।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান, এই জয় পুরো কেন্দুয়াবাসীর। সমিতির ঐক্য ধরে রেখে আগামীতে জনকল্যাণমূলক কাজে তারা আরও নিবেদিত থাকবেন।