স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, এই কারখানাটিতে এর আগেও একবার আগুন লেগেছিল। তখন উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে সচেতন হতে বলেছিল, কিন্তু তারা তা মানেনি তাই ফের অগ্নিকাণ্ড ঘটল।ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, কারখানায় গ্যাস লাইটার তৈরির কাঁচামাল ও দাহ্য উপকরণ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে যাতে আগুন আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ, ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণের তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এ বিষয়ে ঢাকা বিভাগের ফায়ার সার্ভিস উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন বলেন, ‘বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে কারখানা মালিকদের ব্যাপক গাফিলতি ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব খুঁজে পাওয়া যায়। কারখানার মালিকপক্ষকে সচেতন হওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে এবং অগ্নিনিরাপত্তার দিকে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে, কিন্তু তারা আমাদের কথা কর্ণপাত না করে তাদের মর্জিমতো কাজ করতে গিয়ে এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হয়। কেরানীগঞ্জের ঘটনাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (দক্ষিণ) সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ ও কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানাতুর মাওয়া। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।