সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
বাংলাদেশ–তুরস্ক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল যাবে আঙ্কারায় গাজীপুরে টঙ্গীতে মাদক কারবারীদের হাতে পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত। ‘১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে হায় হায় করছে পরীক্ষার্থীরা’ জ্বালানি তেলের সংকট নেই, পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব পুরোনো বন্দোবস্তে দেশ, আ.লীগের জায়গায় এসেছে বিএনপি: নাহিদ দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার ‘ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?’ উন্নয়নমূলক কাজে ইউনিয়নভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে – ডেপুটি স্পীকার।

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময়ই ত্যাগীদের মূল্যায়ন করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

ভোলার জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় আনন্দ বিরাজ করছে তার কর্মী সমর্থকদের মধ্যেসোমবার (১৬ মার্চ) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তিনি যোগদান করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন গোলাম নবী আলমগীর। নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। একই সঙ্গে বিএনপি জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের পক্ষে প্রচারণা চালাতে দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানান।

বিষয়টি প্রথমদিকে বিএনপি কর্মীরা মেনে নিতে পারেননি। অনেকেই ক্ষোভ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন। অনেকে কাফনের কাপড় পড়ে রাস্তায় অবস্থান নেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপির সমর্থনে ভোলা-১ আসনে বিজয়ী হন জোটের প্রার্থী পার্থ। নির্বাচনের পর থেকে গোলাম নবী আলমগীরকে মন্ত্রী করার দাবি উঠে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে গোলাম নবী আলমগীরকে ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি পূর্ণকালীন প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে তিনি ভোলা পৌরসভার চারবারের নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৪৬ সালে ১২ আগস্ট জন্ম নেওয়া গোলাম নবী আলমগীরের বাবা আলতাজের রহমান তালুকদার জেলা শহরের বড় মিয়া হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বড় ভাই উপন্যাসিক ও নাট্যকার মোশারফ হোসেন শাজাহান বরিশাল বিভাগ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। বিএনপি সরকারের দুইবারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্রয়াত মোশারফ হোসেন শাজাহান।

আলমগীর বড় ভাইয়ের হাত ধরেই বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৬ বছর জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এলাকায় একজন স্বজ্জন ও ভালো মানুষ হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত।

এদিকে তাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ করায় দলীয় চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ত্যাগী এ নেতা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102