সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
সিলেটে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩৫ ২৭ বছর পর এরশাদ শিকদারের সহযোগী গ্রেপ্তার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সামরিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ট্রেনচালকের বুদ্ধিমত্তায় অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন তরুণ পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন হাফেজ আব্দুল মোমিন ১১৪ বছরের পুরোনো স্কুল ও ধর্মপল্লী রক্ষায় : ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবি দল পেশাজীবীদের আস্থার ঠিকানা পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেন্দুয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে চান শমিত

দ্বন্দ্ব সংকটে পোশাক খাত

অনলাইন ডেস্ক রির্পোট
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
সুতার ওপর শুল্ক আরোপ নিয়ে পরস্পরের মুখোমুখি পোশাক খাতের শীর্ষ তিন সংগঠন। অভ্যন্তরীণ এই সংকটের কারণে গ্রাহক বা বায়ারদের কাছে ইমেজ সংকটের ঝুঁকিতে পড়েছে। গত ৫ মাস ধরে বিশ্বের ২৬টি দেশে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের তুলনায় কমেছে। সুতা নিয়ে অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে এ খাতের ইমেজ ক্ষুণ্ন হতে পারে।
বিটিএমএর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ট্যারিফ কমিশন ৫ জানুয়ারি সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। পরদিনই ট্যারিফ কমিশন ১০-৩০ কাউন্ট সুতা আমদানি বন্ড সুবিধার বাইরে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠায়। এই প্রক্রিয়ার আপত্তি জানিয়ে ৬ জানুয়ারি ট্যারিফ কমিশনকে পৃথক চিঠি দেয় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)।
বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘সুতা আমদানি নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তায় বিদেশি ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এই দোটানার ফলে তারা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা দেশের পোশাক খাতের দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই সমস্যার সমাধান করতে হলে আমাদের জানতে হবে স্পিনিং মিলের সুতাগুলো অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে কেন।’তিনি আরো বলেন, ‘পোশাক শিল্পে যত প্রতিযোগী দেশ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে অসুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গভীর সমুদ্রবন্দর না থাকায় প্রতিযোগী দেশগুলোর (চীন, ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা) তুলনায় বাংলাদেশের পণ্য পৌঁছাতে ১৫-২০ দিন বেশি সময় লাগে। কারখানা থেকে মালামাল জাহাজে উঠতে এক সপ্তাহ লেগে যায়। এখান থেকে সিঙ্গাপুর যায়, সিঙ্গাপুর ফিডার ভেসেলে গিয়ে ওখান থেকে মাদার ভেসেল ধরতে হয়। দেখা যায় অন্য দেশের তুলনায় আমাদের লিড টাইমটা অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন বেশি লাগে। ভিয়েতনামের একজন শ্রমিক যেখানে ঘণ্টায় ৩২০ পিস উৎপাদন করেন, সেখানে বাংলাদেশের শ্রমিকের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ পিস। এ ছাড়া গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেশি। ইন্টারেস্ট রেট বেশি। এত অসুবিধা নিয়ে আমরা যে প্রতিযোগিতায় টিকে আছি, এটাই তো বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102