সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
দুর্গাপুরে বন্য হাতির উপদ্রপ প্রতিরোধে, স্ট্রিটলাইট স্থাপন কাজের উদ্বোধন অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন রাষ্ট্র গঠনে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতির মূলোৎপাটন অপরিহার্য: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বরেণ্য চিত্রশিল্পী মোস্তফা মনোয়ার-এর চিকিৎসায় পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী; আর্থিক সহায়তা প্রদান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্পীকারের সাথে সুইজারল‌্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎঃ সংসদে স্পীকারের ভূমিকার প্রশংসা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির ৫ নম্বর সাব-কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত

ফ্যাটি লিভারে কি ফলের রস পান করা নিরাপদ?

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় গোটা ফল চিবিয়ে খাওয়ার সুযোগ খুব একটা হয় না। তখন অনেকে এক গ্লাস ফলের রসেই ভরসা রাখেন। তবে ডায়াবেটিসে যেমন ফলের রস খাওয়া নিরুৎসাহিত করা হয়, তেমনি ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন ওঠে—ফলের রস আদৌ নিরাপদ কি না, নাকি এতে লিভারের আরো ক্ষতি হতে পারে? চলুন, জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

ফল থেকে রস বের করার সময় মূলত এর ফাইবার বাদ পড়ে যায়।

ফলে রসে কিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকলেও ফলের আসল পুষ্টিগুণের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। রয়ে যায় মূলত ফ্রুক্টোজ নামক শর্করা, যা অতিরিক্ত মাত্রায় শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। 

ফলের রসে থাকা ফ্রুক্টোজ লিভারে গিয়ে ফ্যাটে রূপান্তরিত হয়। এর ফলে শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যায়, যা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তোলে।

সহজভাবে বললে, নিয়মিত ফলের রস পান করলে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

এ ছাড়া গোটা ফলের তুলনায় ফলের রসে ফ্রুক্টোজের ঘনত্ব বেশি থাকে এবং এই শর্করা শরীর খুব দ্রুত শোষণ করে নেয়। দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ফলের রস খেলে শরীরে ফ্রুক্টোজ জমতে থাকে। লিভার এই অতিরিক্ত শর্করাকে চর্বিতে রূপান্তর করে, যা নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

 

চিকিৎসকদের মতে, মাঝে মধ্যে ফলের রস খেলে তেমন ক্ষতি হয় না। এক গ্লাস ফলের রস চাইলে খাওয়া যেতে পারে, তবে অবশ্যই কোনো অতিরিক্ত চিনি না মিশিয়ে। যারা খুব দুর্বল, বা মাসিকের সময়ে অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব করেন, তাদের ক্ষেত্রে সীমিত পরিমাণে ফলের রস উপকারী হতে পারে। তবে প্রতিদিন ফলের রস পান করার অভ্যাস একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

গোটা ফলে থাকা ফাইবার শর্করা শোষণের গতি ধীর করে দেয়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না।

কিন্তু ফলের রস বানানোর সময় এই গুরুত্বপূর্ণ ফাইবারটাই বাদ পড়ে যায়। এর ফলেই ফলের রস খেলে দ্রুত সুগার লেভেল বেড়ে যায়। পাশাপাশি গোটা ফল খেলে পেট অনেকটাই ভরে যায়, যা ফলের রস খেলে হয় না। 

গোটা ফলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লিভারের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে এবং ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এসব কারণেই ফলের রসের পরিবর্তে গোটা ফল খাওয়াই লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102