সামান্য বৃষ্টিতেই ভেসে গেছে মসজিদের আঙিনা। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তা পেরিয়ে নোংরা পানি মসজিদ ছুঁইছুই। বিকল্প রাস্তা না থাকায় নোংরা পানি মাড়িয়ে মসজিদে আসছেন জুমার নামাজ আদায় করতে। জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগের এমন চিত্র রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার ফায়দাবাদ কেন্দ্রীয় মসজিদে আসা-যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটিতে। এতে এতে মুসল্লিসহ স্থানীয়দের নিত্যদিনের চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক দুর্ভোগ।

আজ (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর ফায়দাবাদ কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে গিয়ে দেখা যায়— নামাজ শেষে মুসল্লিদেরকে নোংরা পানি মাড়িয়েই ফিরতে হচ্ছে বাসায়। কেউ জুতা খুলে আবার কেউ জামা উচু করেই বাড়ির দিকে রওনা হয়েছেন।
জানা যায়, ডিএনসিসি ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই সড়কের পাশেই ফায়দাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও আছগারুল উলুম মাদ্রাসা হওয়ায় প্রতিদিনই সড়ক ধরে শত শত শিক্ষার্থী ও মুসল্লিদের যাতায়াত। এছাড়াও আশপাশের বাসিন্দাদেরও চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। কিন্তু, বিগত ১৭ বছর সংস্কারের অভাবে রাস্তাটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয়রা জানায়— শুধু এই সড়কটিই নয়, মহল্লার ভেতরের সবগুলো রাস্তাঘাট এখনো কাঁচা। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই কাঁদাপানিতে ডুবে যায় সবগুলো সড়ক। এছাড়া শুকনো মৌসুমেও পাশে শুক্কুর আলী মসজিদ রোড, প্রাথমিক স্কুল রোডসহ চলাচলের রাস্তাগুলোতেও পানি জমে থাকে।
ইসরাফিল আলম নামের এক মুসল্লি জানায়, আসার সময়ও এই নোংরা পানি মাড়িয়ে মসজিদে এসেছি। এখন যাওয়ার সময়ও একই উপায়। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।
এদিকে— মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে আসা স্থানীয় বাসিন্দা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম কফিল উদ্দিনের কাছে এলাকার রাস্তাঘাটের এমন জরাজীর্ণ পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরা নিউজকে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদের এলাকার কোন উন্নয়ন হয়নি। এলাকার সবগুলো রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। এলাকার সন্তান হিসেবে আমি যদি বিএনপি থেকে নমিনেশন পাই, ইনশাআল্লাহ দক্ষিণখানসহ ঢাকা-১৮ আসনের প্রতিটি সড়কের চিত্রই বদলে দিব।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি বিএনপি থেকে নমিনেশন পাব। এখানে আমার পৈত্রিক আবাস। নির্বাচিত হতে পারলে ঢাকা-১৮ আসনের জনগণের উন্নয়নে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।
এ সময় মুসল্লিদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ করেন ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী এই নেতা।
