রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেই দেশগঠনে কাজ করছে সরকার – ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বিজিএমইএ এর ৪৩ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত এসডিআই, এডাস্ট এবং বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে মেক্সিকো জীবন্ত মানুষকে খাচ্ছে পোকা, খবর পেয়ে ছুটে গেলেন এমপি! জীবন্ত মানুষকে খাচ্ছে পোকা, খবর পেয়ে ছুটে গেলেন এমপি, এস এম জাহাঙ্গীর জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য সঠিক নীতিমালা এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা লালমনিরহাটে নিহত শিশু নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সবুজায়ন, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি দুর্গাপুরে বড় ভাইয়ের ঘরের বারান্দা থেকে ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীতে পানিবন্দি ৪২ হাজার পরিবার, দুই লাখ ক্ষতিগ্রস্ত

ন্যাশনাল ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
সংগৃহীত ছবি | উত্তরা নিউজ

নোয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪১ হাজার ৮৪০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ১০০ মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ ঘরবাড়ি। আশ্রিত গবাদি পশুর সংখ্যা হলো ২৪০টি। 

শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ।

এরআগে বৃহস্পতিবার রাতে নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ।

জানা গেছে, নোয়াখালী সদর, কবিরহাট ও সেনবাগ উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। নোয়াখালী সদর উপজেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সংখ্যা ৩০ হাজার, সেনবাগে ৩ হাজার ৮৭০, কবিরহাটে ৩ হাজার ৬৫০, কোম্পানীগঞ্জে ৩ হাজার ৫২০, সুবর্নচরে ৫০০ এবং হাতিয়া উপজেলায় ৩০০। বন্যায় ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে অন্তত একটি, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি ঘর। জেলাজুড়ে মোট ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৪১৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া ২৪০টি গবাদিপশু আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলার ৫৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অন্তত ২ লাখ ৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৪০ জন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের মাঝে ৫১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে যার মধ্যে কাজ করছে ২৯টি।

এদিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জেলা শহর মাইজদীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মৎস্য অফিস, জেল খানা সড়ক, পাঁচ রাস্তার মোড়, পৌর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এখনও অনেক এলাকায় কার্যকর না হওয়ায় ঘরবাড়ি ও সড়কে পানি জমে আছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষ এবং যানবাহনের চালকদের।

লক্ষ্ণীনারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা মোশারফ হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর আজ সকাল পর্যন্ত তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে এখনো রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন বাসাবাড়ির আঙিনায় পানি আছে। এ কারণে আমাদের দুর্ভোগ কমেনি। পানিতে ডুবে থাকা ভাঙাচোরা রাস্তায় চলতে গিয়ে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনার কারণে পানি ধীরগতিতে নামছে। এ কারণে বৃষ্টি কমলেও শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমেনি। জেলা শহর মাইজদীসহ বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট এখনো পানির নিচে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102