শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ওয়াশরুমে ভিডিও ধারণের ঘটনায় খুবিতে প্রশাসনের জরুরি সভা, ৭ দফা সিদ্ধান্ত মদনে জেন্ডার ইকুয়ালিটি ফোরামের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড’-বিতরণ কার্যক্রমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ করা হচ্ছে গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে স্পিকার-ইসিকে জামায়াতের চিঠি বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নে জিআরআই-বিজিএমইএ চুক্তি গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করল জামায়াত জীবন্ত মানুষকে খাচ্ছে পোকা’ সংবাদের সেই নারী, এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যোগে সুস্থ হয়ে বৃদ্ধাশ্রমে সিলেটে হামের উপসর্গে ৫ দিনে ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১০৭ অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের চার্জ শুনানি পিছিয়েছে

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস আজ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫

দেশে প্রতিদিন অন্তত ২০টি শিশুর জন্ম হচ্ছে থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে। গত এক দশক আগে এ সংখ্যা ছিল ১০টির নিচে। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। রক্তরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ রোগ নিয়ে তেমন জনসচেতনতা না থাকায় রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

এ ছাড়া ময়মনসিংহে ৯.৮ শতাংশ, খুলনায় ৮.৬ শতাংশ, ঢাকায় ৮.৬ শতাংশ, বরিশালে ৭.৩ শতাংশ ও সিলেটে সবচেয়ে কম ৪.৮ শতাংশ। ১৪ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে এই বাহক রয়েছে ১১.৯ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মাঝে ১২ শতাংশ, ২৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মাঝে ১০.৩ শতাংশ ও ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মাঝে ১১.৩ শতাংশ।থ্যালাসেমিয়া বাহকরা ত্রুটিপূর্ণ জিন বহন করলেও তারা নিজেরা কখনো থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হন না। তবে এই বাহকরা কখনো কখনো স্বল্প মাত্রার অ্যানিমিয়ায় ভুগতে পারেন। কারণ তাদের রক্তের লোহিত কণিকার আকৃতি স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট। আর এ ধরনের অ্যানিমিয়ার জন্য সাধারণত কোনো চিকিৎসাও নিতে হয় না।

রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ও মুগদা মেডিক্যাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, দুই বাহকের মধ্যে বিয়ে হলে তাদের সন্তানদের ২৫ শতাংশ সুস্থ হয় (বাহকও হয় না), ৫০ শতাংশ বাহক হয় এবং বাকি ২৫ শতাংশ থ্যালাসেমিয়া রোগী হয়ে জন্ম নেয়। অন্যদিকে একজন বাহক ও একজন বাহক নন—এমন স্বামী ও স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে ৫০ শতাংশ বাহক না হয়ে বাকি ৫০ শতাংশ বাহক হয়ে জন্ম নেয়। ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। এই রোগ হলে রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদন প্রয়োজনের চেয়ে কম পরিমাণে হয় বা একেবারেই হয় না। এই হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করে লোহিত রক্তকণিকা দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ করে। শরীরের ভেতরে অক্সিজেন চলাচল কম হওয়ায় থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তরা শারীরিকভাবে দুর্বল বোধ করে, তাদের ত্বক ফ্যাকাসে দেখায় ও তাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। এ ছাড়া অরুচি, জন্ডিস, বারবার সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়া, পেট ব্যথা, শারীরিক বৃদ্ধিতে ধীরগতির মতো উপসর্গও দেখা যায়।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা মাসুমা রহমান বলেন, থ্যালাসেমিয়া এমন একটি রোগ, যার জন্য আজীবন চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়। প্রতি মাসে তাদের রক্তের জোগান ও ওষুধ কিনতে একজন রোগীর সর্বনিম্ন ১৩ হাজার টাকা খরচ হয়। এতে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। এ ছাড়া রোগী আজীবন পারিবারিক ও সামাজিক অবহেলার মধ্যে থাকে।গতকাল বুধবার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102