সোমবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক বাদল দাস। তার খোঁজ চেয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় বন্ধু পরিচয়ে সাধারণ ডায়েরিও করেন সুজিত শেখ বাবু। তবে দুই দিন পর এসে পুলিশ দাবি করছে, মতিঝিল বিভাগের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পুলিশ গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, মতিঝিল এলাকা থেকে বাদল দাসসহ কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করে ডিবি। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে সোমবার থেকে বাদল দাসের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না দাবি করে পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বন্ধু ও রুমমেট ফটোসাংবাদিক সুজিত শেখ বাবু। ওই সময় পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানিয়েছিলেন, বাদল দাস নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি হয়েছে এবং তার সন্ধানের চেষ্টা চলছে।
বাদলের সহকর্মীরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কক্ষে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে সুজিত শেখ বাবুর কাছে ফোন করে জানানো হয়, বাদল ডিবি হেফাজতে রয়েছেন।
এরপর সুজিত মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। তবে তখন পুলিশের পক্ষ থেকে বাদলকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।
এ ছাড়া ডিবি পরিচয়ে যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল, সেটিতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বুধবার বাদলকে আটকের বিষয়টি ডিবির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়।
বাদল দাস পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩৫ সদর রোড নতুন বাজার এলাকার বাসু দেব দাসের ছেলে। তিনি রাজধানীর গুলিস্তানে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে থাকতেন।