মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিন মাসের যুদ্ধ শেষে শুক্র বা শনিবারের (১২, ১৩ জুন) মধ্যেই একটি ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি সই হতে পারে। চুক্তিটি হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ নৌচলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে ইরান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, খসড়ার বড় অংশ চূড়ান্ত হলেও তারা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।
যদি এই চুক্তিটি সফল হয়, তবে এটি হবে বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য। কারণ গত মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এইমাত্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার নিষ্পত্তি করেছি।
ট্রাম্প আরো জানান, এই চুক্তির মূল শর্ত হলো—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। অন্যদিকে, ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে তাদের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বা জব্দ করে রাখা শত শত কোটি ডলারের সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, বিষয়টি বর্তমানে তাদের নীতিনির্ধারক সংস্থায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং ইরান তার অলঙ্ঘনীয় সীমারেখায় কোনো আপস করবে না।