সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ইউরোপে আগুনের তাণ্ডব, ‘দানব’ দাবানলে বিপর্যস্ত ফ্রান্স-স্পেন স্যান্ডেল উদ্ধার করতে গিয়ে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হঠাৎ অবসরে বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু পুকুরে মিলল পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ, রহস্য উদঘাটনে আটক দুই মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিয়ে রোধে পুলিশ সুপারের কঠোর বার্তা দেশের বাজারে যেসব টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে পদ্মা সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থায় টোল আদায় ১০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, নিবন্ধিত যান ১ হাজার ১৫ বছরের কম বয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবেন না কাসেমিরোর অভিষেক ম্যাচে পেনাল্টিতে জয় ইন্টার মায়ামির

বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কমলেও রয়েছে উদ্বেগ : ইউএনএইচসিআর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

সংঘাত, সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২০২৫ সালে এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। তবে গত বছর নতুন করে ৫৪ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একই সময়ে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।
আগের বছরের তুলনায় এ সংখ্যা ৫০ শতাংশ বেশি এবং ১৯৬৫ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রত্যাবর্তনের ঘটনা।সবচেয়ে বেশি মানুষ ফিরে গেছেন ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, সুদান, সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইউক্রেন ও মিয়ানমারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তারা নিরাপত্তাহীনতা, অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি এবং মৌলিক সেবার সংকটের মধ্যে নিজ দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ২৯ লাখ আফগান দেশে ফিরেছেন, যার মধ্যে ১৯ লাখই শরণার্থী।অন্যদিকে, বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ায়ও প্রত্যাবর্তনের হার বেড়েছে। গত বছর প্রায় ১৩ লাখ সিরীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন।
তবে ইউএনএইচসিআর সতর্ক করে বলেছে, বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কমলেও দীর্ঘমেয়াদি শরণার্থী সংকট এখনো উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ শরণার্থী পাঁচ বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিজ দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

ইউএনএইচসিআরের হাইকমিশনার বারহাম সালিহ বলেন, আশ্রয় ও সুরক্ষা মানুষের জীবন রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এমন পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়, যেখানে লাখ লাখ শরণার্থী বছরের পর বছর নিজেদের জীবন পুনর্গঠনের সুযোগ ছাড়া অনিশ্চয়তার মধ্যে বসবাস করতে বাধ্য হন।

সংস্থাটি ২০৩৫ সালের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শরণার্থী ও মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102