বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন, চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আগামী ৫ দিন বৃষ্টির আভাস হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ভারতের সমর্থন নেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী উত্তরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৯২ শহীদের তালিকা প্রকাশ করল JRA জুলাই গণঅভ্যুত্থানে উত্তরায় সর্বকনিষ্ঠ শহীদ জাবির ইব্রাহীম: এক শিশুর রক্তে লেখা ইতিহাস রাজধানীতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা, যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর প্রতীক শহীদ মীর মুগ্ধ উত্তরা আজমপুরের রক্তাক্ত স্মৃতি: শহীদ তানভীনের অপূর্ণ স্বপ্ন জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

‘খালেদা জিয়ার সাজার রায়ে সাংবাদিকরা কেঁদেছিলেন, পুলিশও কেঁদেছিলেন’

অনলাইন ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, ‘যেদিন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়, সাজার রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে যায়। সাংবাদিকরা অঝরে কেঁদেছিলেন পুলিশও কেঁদেছিলেন, এই অসম্মান অপমানকর পরিস্থিতিতে সেদিন সবাই বেদনাবিধুর হয়েছিলেন।’ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় ঘোষণার দিনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রায়ের পর উপস্থিত পুলিশ, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই সেদিন কেঁদেছিলেন, আর বিচারক পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে যখন কোর্ট থেকে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয় সেই দৃশ্য আমরা সবাই দেখেছিলাম। তাকে জেলে নেওয়ার পরের দিন আমাকে বন্দী করা হয়। ৪১ দিন আমাকে রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদের এই সময়ে সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। শত জুলুম, অত্যাচারের মুখেও আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম।’

 

শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরে খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক আর প্রবাস থেকে ছিলেন তারেক রহমান। তার কথায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আমরা শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করেছিলাম। শ্রমিক শ্রেণি অকাতরে জীবন দিয়েছেন। সহস্রাধিক মানুষ যে জীবন দিয়েছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক শ্রেণি। আমাদের সব জীবন দেওয়ার লক্ষ্য ছিল একটা নিরাপদ জীবন গড়া’

সবশেষে সংসদ সদস্য বলেন, ‘যারা খালেদা জিয়াকে অপমান করেছে, শেষ পর্যন্ত তারাও সম্মান প্রদর্শন করেছে। এটাই ডেস্টিনি। যথার্থ সম্মান শুধু খালেদা জিয়া পাননি, গোটা বাংলাদেশ পেয়েছে। বাংলাদেশ সার্বভৌম রাখার জন্যে খালেদা জিয়া শুধু জীবনেই লড়াই করেননি, মরণেও লড়াই করেছেন। এই বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এই বাংলাদেশ কারও কাছে নত হবে না। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102