রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বেনফিকা
(প্রথম লেগে রিয়াল ১-০ গোলে জয়ী)স্প্যানিশ জায়ান্টরা এক গোলের লিড নিয়ে ঘরের মাঠে নামছে। দ্বিতীয় লেগে রিয়াল না হারলেই নিশ্চিত করবে শেষ ষোলো। বেনফিকা ৯০ মিনিটে ১ গোলে জিতলে ম্যাচ যাবে অতিরিক্ত সময়ে।ব্যবধান একই থাকলে টাইব্রেকার।ইতিহাস বলছে, প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথম লেগ জয়ের পর ৪০ বারের মধ্যে ৩৮ বারই পরের রাউন্ডে উঠেছে রিয়াল।বিপরীতে, ঘরের মাঠে প্রথম লেগে হারার পর আট চেষ্টায় মাত্র একবার ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বেনফিকা।সেক্ষেত্রে বলা যায়, রিয়াল পরিসংখ্যানের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে।
(প্রথম লেগে পিএসজি ৩-২ গোলে জয়ী)ফরাসি ডার্বিতে এগিয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।পিএসজি না হারলেই পাবে শেষ ষোলোর টিকিট। মোনাকো ৯০ মিনিটে ১ গোলে এগিয়ে থাকলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে, এরপর টাইব্রেকারের সম্ভাবনা।ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় প্রথম লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে জয়ের পর ২০ বারের মধ্যে ১৯ বারই পরের রাউন্ডে উঠেছে পিএসজি।পরিসংখ্যান বলছে, মোনাকোর কাজটা সহজ নয়।
(প্রথম লেগে গালাতাসারাই ৫-২ গোলে জয়ী)এই টাইয়ের সবচেয়ে কঠিন সমীকরণ জুভেন্টাসের সামনে। সরাসরি শেষ ষোলোতে উঠতে ৪ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে জুভকে। ৯০ মিনিট শেষে জুভেন্টাস ৩ গোলে এগিয়ে থাকলে ম্যাচ যাবে অতিরিক্ত সময়ে। একই ব্যবধান থাকলে টাইব্রেকার।চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে প্রথম লেগে ৩ বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের রাউন্ডে ওঠার ঘটনা মাত্র চারবার।জুভের সামনে তাই ইতিহাস গড়ার চ্যালেঞ্জ।
আতালান্তা বনাম ডর্টমুন্ড
(প্রথম লেগে ডর্টমুন্ড ২-০ গোলে জয়ী)ডর্টমুন্ড দুই গোলের লিড নিয়ে নামছে। শেষ ষোলোতে উঠতে আতালান্তাকে জিততে হবে ৩ গোলের ব্যবধানে। ৯০ মিনিট শেষে আতালান্তা ২ গোলে এগিয়ে থাকলে ম্যাচ যাবে অতিরিক্ত সময়ে, এরপর টাইব্রেকার। প্রথম লেগে ২ গোলের ব্যবধানে হারের পর কখনোই পরের রাউন্ডে যেতে পারেনি আতালান্তা।পরিসংখ্যান ডর্টমুন্ডের পক্ষেই কথা বলছে।আজকের রাতেই নির্ধারিত হবে শেষ ষোলোর বাকি চারটি টিকিটের ভাগ্য। কাগজে-কলমে এগিয়ে রিয়াল, পিএসজি ও ডর্টমুন্ড। আর সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ জুভেন্টাসের সামনে।