রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ ডিএনসিসির সঙ্গে সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতার নতুন উদ্যোগ নিকুঞ্জ-টানপাড়ায় নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে উত্তরা ১৩ নং সেক্টর-এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪, উদ্ধার মাদক-অস্ত্র সন্দ্বীপের চরে বিপদে পড়া কচ্ছপ উদ্ধার সাগরে অবমুক্ত মাতারবাড়ী পৌঁছে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পিরোজপুর জেলা কমিটি অনুমোদন গণঅভ্যুত্থানের তথ্য বিশ্বমিডিয়ায় পৌঁছে দিতেন আদীব, গুমের চেষ্টা ৩ বার বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার সকল পদক্ষেপ নেয়া হবে- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে একটি চক্র : প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক এলডিপির প্রেসিডেন্ট। রোববার মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের বৈঠকে অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। পরে তা ব্রিফিংয়ে জানান জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহচর কর্নেল অলি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশে নেন তিনি। রাষ্ট্রপতি জিয়ার সরকারে মন্ত্রীও ছিলেন কর্নেল অলি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

২০০১ সালে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জিতলেও সে নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর কাছে হেরে যান তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের জোট হলেও উভয় দলের জন্য চট্টগ্রাম-১৪ উন্মুক্ত ছিল। ২০০১ সালে কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

২০০৬ সালে বিএনপি ছেড়ে এলডিপি গঠন করেন কর্নেল অলি। তাঁর সঙ্গে সেই সময়ে বিএনপির ৩২ জন এমপি দল ছাড়েন। যা ছিল বিএনপির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভাঙন। ২০০৮ সালে এককভাবে নির্বাচন করে জয়ী হন কর্নেল অলি। ২০১২ সালে তিনি খালেদা জিয়ার ডাকে বিএনপির জোটে যোগ দেন। আসন নিয়ে টানাপোড়েনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াত জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির এলডিপি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102