বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
লুসাকা গ্রুপের ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও পুনর্বহালের দাবিতে ঘেরাও কর্মসূচি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ গবেষণা নীতিমালা (সংশোধিত)-২০২৬-এর গবেষণা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত। রাজধানীর উত্তরায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। জেনে নিন, উত্তরা বাসিন্দারা কোন কোন রুটে পাবেন মহিলা বাস সার্ভিস বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য হাসানের ফিলিপাইনে স্কুলে গুলি, হামলাকারীসহ নিহত ২ এনবিআরকে ভয় নয়, বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে শিশু অপহরণ : ১২ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চান্দিনায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফেরাতে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার, দুর্ভোগের শেষ নেই

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন। দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে।

এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙ্গামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২, বান্দরবানে দুই ও খাগড়াছড়িতে এক জন রয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষকে জরুরি আশ্রয় দেয়ার জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে এরই মধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকির জন্য একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102