বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
শিক্ষকরা উদ্বেগে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জেনারেল কলেজে রূপান্তরের চেষ্টা নিয়ে গাজীপুরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা ফেরাতে ৫১ ওয়ার্ডের দায়িত্ব পেলেন এসএম শাকিল জুনে নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার শিকার ৩৩৩ জন, ধর্ষণই সর্বাধিক কড়া নিরাপত্তায় সারাদেশে শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যে যে নির্দেশনা যুদ্ধবিরতি ও পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে কাতারে পরোক্ষ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান স্পেনে তাপপ্রবাহে মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাবে, বিশ্বাস প্রেসিডেন্টের ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় সিএনজি দুমড়ে-মুচড়ে নিহত ১, আহত ৪ জাল সনদে এমপিও ভোগী ১৩ শিক্ষকের বেতন বন্ধ, সরকারি অর্থ ফেরত নেওয়ার নির্দেশ

গাজীপুরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা ফেরাতে ৫১ ওয়ার্ডের দায়িত্ব পেলেন এসএম শাকিল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

গাজীপুরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা: ৫১ ওয়ার্ডে দায়িত্ব পেলেন ৭৯ ঠিকাদার এসএম শাকিল আহমেদ

​গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক ও নিয়মতান্ত্রিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিটির ৫১টি ওয়ার্ডে প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহের জন্য ৭৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

​রোববার নগর ভবনের হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত ঠিকাদারদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার।
​অনুষ্ঠানে প্রশাসক কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “বাসাবাড়ি থেকে নির্ধারিত সেবামূল্যের অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহে অবহেলা করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের চুক্তি বাতিলসহ লাইসেন্সও বাতিল করা হবে।”

​নগর কর্তৃপক্ষ জানায়, সিটির ৫৭টি ওয়ার্ডের প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুনঃউন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মূল্যায়ন কমিটির পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী এক বছরের জন্য এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।

​প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গাজীপুরকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দিতে পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সচেতনতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই সিটি করপোরেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডোর-টু-ডোর বর্জ্য সংগ্রহে অতীতে যেসব অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অনিয়মের অভিযোগ ছিল, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে তা পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।
​তিনি আরও জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রথমে সতর্ক করা হবে। এরপরও সংশোধন না হলে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নগরবাসীকে একটি নিরবচ্ছিন্ন ও সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্নতা সেবা দেওয়াই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102