শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ছাগল মারাকে কেন্দ্র করে, মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ মেডিকেল শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, তিন দিন পর উদ্ধার মরদেহ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এভাবে সম্মানিত করা হলো: ট্রাম্প বিশ্বকাপে এই মাইলফলকেও প্রথম ব্রাজিল কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল বিদেশি পরিবার গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারের ‘নীরবতায়’ সোনিয়া গান্ধীর কড়া সমালোচনা মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘাতকের পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল জেলার ৬০ শতাংশ গ্রামীণ সড়কই কাঁচা মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি

বই আছে, পাঠক নেই

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

বিশাল হলরুম। সারি সারি আলমারির তাকজুড়ে গল্প-উপন্যাস, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ধরনের বই।

রয়েছে পর্যাপ্ত চেয়ার-টেবিল, আলো-বাতাস ও মনোরম পরিবেশ। তবে নেই শুধু পাঠকের কোলাহল। দিনে গড়ে ২৫ জনের বেশি পাঠকও আসেন না জামালপুর জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে।
গ্রন্থাগার সূত্রে জানা গেছে, ‘শহরের কাচারিপাড়ায় ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় গ্রন্থাগারটি।

প্রথম দিকে বিভিন্ন বয়সী পাঠক নিয়মিত বই পড়তে আসতেন। পাঠকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত থাকত গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণ। বর্তমানে গ্রন্থাগারটিতে ৪৮ হাজার গ্রন্থ রয়েছে। এর মধ্যে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত তিন হাজার ৯টি গ্রন্থ আছে।

বাংলা ভাষার নানা বিষয়ের ৪৫ হাজার গ্রন্থ রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ রয়েছে এখানে। শিশুদের জন্য রয়েছে আলাদা হলরুম। সেখানে পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলারও ব্যবস্থা রয়েছে।’
1

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঠের ফার্নিচার দিয়ে সাজানো পরিবেশ।

চকচকে কাঠের চেয়ার-টেবিল, মেঝেজুড়ে টাইলস। রয়েছে পর্যাপ্ত আলো ও পাখা। তবে পাঠকের সংখ্যা নগণ্য। একসঙ্গে কখনো ১৫ জনের বেশি পাঠককে দেখা যায়নি গ্রন্থাগারে। উপস্থিত পাঠকদের বেশির ভাগ চাকরিপ্রার্থী। তারা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গ্রন্থাগারে আসেন। তবে গ্রন্থাগারে প্রতিদিনের পাঠকসংখ্যার খাতায় ৩৫ থেকে ৪০ জনের উপস্থিতির স্বাক্ষর রয়েছে।
গ্রন্থাগারে নিয়মিত পড়তে আসা হৃদয় হাসান নামের একজন বলেন, ‘প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ জন পড়তে আসেন। এখানে যারা পড়তে আসেন, তারা বেশির ভাগই চাকরির প্রস্তুতি নেন। তবে চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য গ্রন্থাগারে মানসম্মত বই নেই। বাসা থেকে বই নিয়ে এসে এখানে পড়তে হয়।’

সাব্বির নামের একজন বলেন, ‘এখানে পড়ার সব সুযোগ-সুবিধা থাকলেও পাঠক খুবই কম। পর্যাপ্ত বই থাকলেও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য প্রয়োজনীয় বই নেই। এখন আর গল্প-উপন্যাস পড়ার জন্য কোনো পাঠক আসে না।’

2

কবি ও মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম অনেক বেশি অনলাইনে ব্যস্ত থাকে। তাই তারা বই পড়ায় সময় দিতে পারে না। গ্রন্থাগার ডিজিটালাইজেশন করে পাঠকের কাছে নিতে হবে। এ ছাড়া নতুন মানসম্মত বইয়ের পাশাপাশি পাঠক বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে দিনে দিনে পাঠক আরো কমে যাবে।’

এ বিষয়ে সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আগের তুলনায় পাঠকসংখ্যা কমেছে। প্রতিবছর নতুন নতুন বই সংগ্রহে যুক্ত হচ্ছে। পাঠকসংখ্যা বাড়াতে আমরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102