শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ মেডিকেল শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, তিন দিন পর উদ্ধার মরদেহ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এভাবে সম্মানিত করা হলো: ট্রাম্প বিশ্বকাপে এই মাইলফলকেও প্রথম ব্রাজিল কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল বিদেশি পরিবার গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারের ‘নীরবতায়’ সোনিয়া গান্ধীর কড়া সমালোচনা মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘাতকের পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল জেলার ৬০ শতাংশ গ্রামীণ সড়কই কাঁচা মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি ‘শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য’- আমিনুল হক

চীনের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা অনেক, প্রশ্ন হলো কতটা কাজে লাগাতে পারব

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাইয়ের প্রেসিডেন্ট মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বেইজিং, হংকং, লন্ডন, কাতার, নিউইয়র্ক ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ২০০৩ সালে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মার্স্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। মুন্সি ফয়েজ আহমেদের জন্ম ১৯৫২ সালে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সমকালের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মাহফুজুর রহমান মানিক

সমকাল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম এই চীন সফরকে বর্তমান আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?

মুন্সি ফয়েজ আহমেদ: চীন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ। তারা প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। চীনের অর্থনৈতিক অবস্থাও খুব সুসংহত। সবাই চাইবে তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক করতে। চীন অবশ্য সহজে সবার সঙ্গে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে বাংলাদেশের অন্যতম বড় অংশীদার চীন। সে জন্য প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর সঠিক পদক্ষেপ বলে মনে করি। যদিও কথা উঠেছিল– চীন সফর আগে, নাকি ভারত।

সমকাল: আপনি কী মনে করেন?

ফয়েজ আহমেদ: আমরা শুনেছি, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে যাওয়ার কথা ছিল। ভুটান হয়ে ভারতে যাবেন– এ রকম একটা চিন্তা ছিল। ভারত সেটা সম্ভবত গ্রহণ করেনি। এদিকে মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যাওয়ায় চীনের আপত্তি না থাকার কারণে সে দেশেই আগে সফর হলো। তার মানে এই নয়, ভারতকে সরকার কম গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে ২০১৩ সালে ভারত এবং অন্যান্য দেশকে ছাড়িয়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য এগিয়েছে বাংলাদেশের, যা এখনও চলমান। সুতরাং ওইভাবে দেখাটাও আমি মনে করি ঠিক না। সবার সঙ্গেই সম্পর্ক রাখতে হবে, কিন্তু আমাদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নয়।

সমকাল: প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বা ‘তিস্তা ইস্যু’ উঠে আসছে। তিস্তা নদীর পানি বণ্টন ও অববাহিকা উন্নয়নে চীনের অংশগ্রহণকে ভারত কীভাবে দেখতে পারে এবং বাংলাদেশ কীভাবে এখানে ভারসাম্য বজায় রাখবে?

ফয়েজ আহমেদ: তিস্তা পরিকল্পনায় চীনকে নিয়ে কাজ করার বিষয়টি কিন্তু আগের সরকারের সময়েই মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে চীনের যথেষ্ট কারিগরি দক্ষতা আছে। এ ধরনের অনেক প্রজেক্ট তারা করেছে। যে কোম্পানিকে কাজের জন্য চিন্তা করা হচ্ছে, তারা নিজেরা চীনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইয়েলো রিভার সংস্কারকাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তিস্তার সঙ্গে তার অনেক মিল আছে। তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সঠিক রেখে, তাদের পুরোপুরি ওয়াকিবহাল রেখেই স্বচ্ছতার ভিত্তিতে করতে হবে।

সমকাল: চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যে চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ– যেমন গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ ইত্যাদি; সেগুলোতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক বিবেচনার কথা জানা গেছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

ফয়েজ আহমেদ: এটা একেবারে নতুন না। বেশ অনেক দিন ধরেই এ নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। এটাও আগের সরকারের সময়ে মোটামুটি নির্ধারিত হয়েছিল এবং এই সরকার সেটাই করবে। তবে ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করেই যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সমকাল: প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় বাংলাদেশের চলমান মেগা প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন ও দ্রুত বাস্তবায়নে নতুন কী ধরনের গতি আসতে পারে?

ফয়েজ আহমেদ: নিশ্চয় নতুন গতি আসবে। যখনই উচ্চ পর্যায়ের সফর হয় তখন একটা চিন্তা থাকে যে আমাদের যেসব প্রকল্প আছে সেগুলোতে নতুন গতি সঞ্চার এবং নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন করা। তার ফলেই তো আমরা দেখতে পাচ্ছি, ১৭টি বিভিন্ন রকমের চুক্তি প্রটোকল স্মারক ইত্যাদি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

সমকাল: বাংলাদেশের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে এবং বাংলাদেশি পণ্যের জন্য চীনের বাজারে আরও কার্যকর শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে কী ধরনের কূটনীতি দরকার?

ফয়েজ আহমেদ: চীন তো শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশকে। এখন সেটা গ্রহণ করার ক্ষমতা কতটা আছে এবং আমরা কীভাবে গ্রহণ করব, তা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমাদের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। আমরা যদি চীনের সঙ্গে ব্যবসা করতে যাই; চীনের কী প্রয়োজন সেটা দেখে আমাকে তৈরি করতে হবে। আমি যা তৈরি করছি, তা সবসময় চীন কিনবে– এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। চীনের প্রয়োজন কী, সেটা আমাকে বুঝতে হবে। গবেষণা করতে হবে এবং আমাদের কোনো কোনো জিনিস হয়তো অল্প একটু পরিবর্তন করলেই চীনের জন্য যথেষ্ট হবে। সেই জিনিসগুলোর ওপরে আমার মনে হয় জোর দিতে হবে– কীভাবে আমরা অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বৃদ্ধি করব এবং আমাদের পণ্যের মান উন্নয়ন করব। তাহলে চীনের সঙ্গে যে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি, তা কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে।

সমকাল: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাংলাদেশের দিক থেকে জরুরি বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে চীনের কাছ থেকে কোনো দৃশ্যমান রাজনৈতিক নিশ্চয়তা আদায় করা সম্ভব?

ফয়েজ আহমেদ: রোহিঙ্গা বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা হবে, কোনো সন্দেহ নেই। বলা বাহুল্য, চীন তো প্রথম থেকেই স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাদের এ ব্যাপারে সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছে। সুতরাং তাদের সেই সদিচ্ছাকে আরও কীভাবে জোরদার করা যায় এবং মিয়ানমারের ওপর কীভাবে আরও তারা প্রভাব বিস্তার করতে পারে, সেই চেষ্টা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হতে পারে। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের যদি ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ে, সেটা চীনের জন্যও উপকারী হবে। কারণ তখন শুধু বাংলাদেশ-চীন বা বাংলাদেশ-মিয়ানমার থাকবে না; তিন দেশ একসঙ্গে মিলেও কিছু করার সুযোগ থাকবে। তেমন চিন্তাভাবনা কিন্তু আগেও হয়েছে। যেমন বিসিআইএম বলা হচ্ছিল– বাংলাদেশ, চীন, ভারত, মিয়ানমার। কিন্তু যখন দেখা গেল সবাই একসঙ্গে হতে চাইল না, তখন মিয়ানমারকে বাদ দিয়ে তিনটা দেশ করা যায় কিনা, সেই চিন্তাও করা হয়েছিল। এখন আমরা সেভাবে মিলে কিছু করতে পারি কিনা, দেখা দরকার।

সমকাল: রোহিঙ্গা ইস্যু নিঃসন্দেহে জটিল বিষয়। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন আদৌ কতটা ভূমিকা রাখবে?

ফয়েজ আহমেদ: দেখুন, এই বিষয়ে একমাত্র চীন ছাড়া আর কোনো দেশ কি এগিয়ে আসছে? মনে রাখতে হবে, রোহিঙ্গা এখন আন্তর্জাতিক সংকট। বিশ্ব সম্প্রদায় এগিয়ে এলে এটি অনেক বেশি সহজ হবে। এখানে দুটো বিষয়। একটা হলো তাদের ফেরত যাওয়া বা প্রত্যাবাসন; আরেকটা হলো ফেরত গিয়ে ওখানে শান্তিতে থাকা। উভয়টিই পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। রোহিঙ্গাদের জোর করে পাঠিয়ে দিয়ে তাদের কোনো ব্যবস্থা করা না হলে আবার তাদের চলে আসতে হবে। সুতরাং মিয়ানমারে যাওয়ার পর তারা যাতে ভালো থাকে, তার জন্য আন্তর্জাতিক বিশেষ ব্যবস্থা থাকা উচিত। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্স তৈরি করা উচিত। আমি মনে করি, সেখানে চীন, সিঙ্গাপুর, জাপান এরা যুক্ত হয়ে একটা ব্যবস্থা করতে পারে।

সমকাল: বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে থাকা বিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আইটি খাতের টেকসই রূপান্তরে চীনের উন্নত প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত অংশীদারিত্ব কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারে?

ফয়েজ আহমেদ: চীনের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা অনেক। প্রশ্ন হলো, আমরা তার কতটুকু কাজে লাগাতে পারব। আমাদের আগ্রহ আছে। আমাদের প্রয়োজন আছে, আর তাদের আছে প্রযুক্তি। সুতরাং এই দুটো মেলালে একটা ভালো ফল আশা করা যায়। কিন্তু সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে, দুই দেশের জন্যই লাভজনক হয় এমন শর্তে চুক্তিগুলো করতে হবে। মূল প্রশ্নটা হলো আমরা চীনকে কতটা দক্ষতার সঙ্গে ডিল করতে পারছি।

সমকাল: চীনের সঙ্গে চুক্তি এবং বৈশ্বিক উদ্যোগে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ কী?

ফয়েজ আহমেদ: আমাদের বুঝতে হবে, বাংলাদেশের সঙ্গে যে কোনো দেশের সম্পর্ককে আমাদের আলাদা করে দেখতে হবে এবং সবার সঙ্গে স্বতন্ত্র সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। কারও প্রতি ঝুঁকে পড়া বা নির্ভরশীল যাতে না হয়, এতে অন্যের সঙ্গে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যেমন আমি যখন ভারতের সঙ্গে কোনো চুক্তি করছি, তা যেন চীনের জন্য নেতিবাচক না হয়। আবার চীনের সঙ্গে চুক্তি ভারতের জন্য যেন কোনো কারণে সমস্যা তৈরি না করে। কারণ আমাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই তো থাকতে হবে।

সমকাল: যুক্তরাষ্ট্র?

ফয়েজ আহমেদ: যুক্তরাষ্ট্র অনেক দূরের দেশ, কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষমতাধর। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য আছে। তারপরও চীন বা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করলে তো কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না। সেটা আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাব। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যা কিছু আমরা করি, সেগুলো এই দুটো দেশকে দিয়ে পূরণ করতে পারি না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইতোমধ্যে আমাদের একটা চুক্তি হয়েছে, যে চুক্তিকে অনেকেই অসম চুক্তি বলছেন। আমাদের বরং সেই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। সেখানে যদি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কিছু থাকে, সেগুলোকে পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ নেওয়া জরুরি। তা করতে গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সবসময় সংযুক্ত থাকতে হবে। সব দেশের সঙ্গে আমাদের আলাদা ডায়লগের ব্যবস্থা আছে এবং সেই ডায়লগের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে এই সমস্যাগুলো তুলে ধরতে পারব এবং আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সাজানো সম্ভব হবে।

সমকাল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?

ফয়েজ আহমেদ: যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে, তাতে সরকারের শক্তি বৃদ্ধি পায়। এতে সরকার কনফিডেন্স পায়। তার ফলে অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও তার কাজ করা আরও সহজ হয়ে ওঠে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে পারে। বিশ্বপরিমণ্ডলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর একটা সঠিক জায়গা তৈরি করে নিতে পারলে সেটা নিশ্চিতভাবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে বড় রকমের সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

সমকাল: সেদিক থেকে সরকারের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?

ফয়েজ আহমেদ: চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র সব দেশই আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনোটাকে বাদ দিয়ে আমাদের চলার সুযোগ নেই। আমাকে সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এখন যেমন মালয়েশিয়া হয়ে চীনে গেলেন; সে জন্য কেউ আর বলবে না, চীনে আগে গিয়েছেন। মালয়েশিয়া হয়ে যাওয়ার এটি একটি কৌশল। তো সে রকম একটি কৌশল ভারতের ক্ষেত্রে ছিল। তারা রাজি হয়নি। তারা চেয়েছে যে সরাসরি আমরা ভারতে যাই। সুতরাং এখানে ভারত নিজেই দায়ী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102