তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো অবস্থাতেই, কখনো, কারোর সঙ্গেই আলোচনা করব না।’
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ নিশ্চিত করেছেন, মধ্যস্থতাকারী পক্ষগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক চুক্তিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো উল্লেখ ছিল না।
ইরান থেকে এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার (৯৩০ মাইল) দূরে অবস্থিত ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচিকে একটি অস্তিত্বের সংকট হিসেবে দেখে আসছে। যুদ্ধের আগে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং সশস্ত্র প্রক্সিদের প্রতি তেহরানের সমর্থনকে অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে তার অবস্থান কিছুটা নরম করেছেন বলে মনে হয়েছে। গত সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু বলছি, অন্য দেশগুলোর কাছে যদি এসব অস্ত্র থাকে, তাহলে কিছু দেশের কাছে একেবারেই না থাকা কিছুটা অন্যায্য।