বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই টেকনাফে ১ কোটি ৫ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ খুলনা শিপইয়ার্ড পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পীকারের সাথে UN WOMEN বাংলাদেশ প্রতিনিধির সৌজন‌্য সাক্ষাৎঃ বাংলাদেশ থেকে জাপানে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানীতে জাপানী রাষ্ট্রদূতকে জাতীয় সংসদের স্পীকারের আহ্বান গবেষণার ফলাফল এমন হওয়া উচিত যা মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হয়। রাজধানীতে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing” মেলার উদ্বোধন করলেন জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ( মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হাদি হত্যা: ১৬ বারের মতো পেছাল অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ও মানুষের ভাগ্য বদল আমাদের প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

ইরান চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল, অর্থায়ন করবে যারা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রাথমিক চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেসরকারি তহবিল গঠনের পরিকল্পনা আছে। এর উদ্দেশ্য ইরানে বিনিয়োগ বাড়ানো। চুক্তি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রটির দাবি, তহবিলের অর্ধেকের বেশি অর্থায়ন ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। যুদ্ধের অবসানে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করতে উভয়পক্ষকে অর্থনৈতিকভাবে উৎসাহিত করা এই তহবিলের মূল লক্ষ্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সূত্র জানায়, ওয়াশিংটন ও তেহরান আগামী শুক্রবার চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই পরিকল্পনাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

সূত্রটি জানায়, নতুন তহবিলটি একটি বেসরকারি বিনিয়োগ প্রকল্প। এটি কোনো পুনর্গঠন বা ক্ষতিপূরণ কর্মসূচি নয়। এতে কোনো সরকারি অর্থ বা অনুদানও থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় আরব দেশ, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এতে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিনিয়োগের খাতগুলোর মধ্যে আছে, জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, উৎপাদন শিল্প ও পরিবহন।

রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তেহরান শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। তবে ওয়াশিংটন তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপরই পুনর্গঠন ও উন্নয়ন তহবিল গঠনের চিন্তা সামনে আসে।

ইরানি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ব্যবস্থায় আঞ্চলিক দেশগুলো বিভিন্ন উপায়ে অংশ নেবে। এর মধ্যে আছে ঋণের নিশ্চয়তা দেওয়া, ঋণসুবিধা চালু করা অথবা ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্নির্মাণে অর্থায়ন করা। এসব প্রকল্পের মধ্যে থাকবে মোবারাকেহ স্টিল কমপ্লেক্স, তেল শোধনাগার, বিমানবন্দর ও সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য অবকাঠামোর পুনর্গঠন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102