জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক মঙ্গলবার বলেছেন, বিশ্বের অন্তত ৫৮টি দেশ ও অঞ্চলে অ্যান্টিপারসোনেল মাইনের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে মায়ানমার, সিরিয়া, আফগানিস্তান ও ইউক্রেনে এসব মাইনের কারণে অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক মঙ্গলবার বলেছেন, বিশ্বের অন্তত ৫৮টি দেশ ও অঞ্চলে অ্যান্টিপারসোনেল মাইনের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে মায়ানমার, সিরিয়া, আফগানিস্তান ও ইউক্রেনে এসব মাইনের কারণে অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।
২০২৪ সালে সর্বোচ্চসংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে মায়ানমারে (২০২৯), সিরিয়ায় (১০১৫), এরপর আফগানিস্তানে (৬২৪) এবং তারপরে ইউক্রেন, নাইজেরিয়া, মালি, ইয়েমেন ও বুরকিনা ফাসোতে। যেখানে প্রত্যেকটিতে ২০০-এর বেশি হতাহতের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
ভলকার তুর্কের দপ্তর উল্লেখ করেছে, ১৯৯৯ সাল থেকে নথিভুক্ত অ্যান্টিপারসোনেল মাইনের কারণে হওয়া সব বেসামরিক হতাহতের ৪০ শতাংশেরও বেশি শিশু। ভলকার তুর্কের দপ্তর আরো বলেছে, হত্যা ও অঙ্গহানির পাশাপাশি অ্যান্টিপারসোনেল মাইন এলাকাগুলোকে প্রবেশ-নিষিদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করে। অ্যান্টিপারসোনেল মাইন মানুষের বিভিন্ন অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করে, বাস্তুচ্যুত মানুষের নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়া বিলম্বিত করে এবং কৃষিজমি চাষাবাদের অনুপযোগী করে তোলে।
অটোয়া মাইন নিষিদ্ধকরণ কনভেনশনের সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৬২ হলেও, বিপুলপরিমাণ মাইন মজুদ থাকা বেশ কিছু দেশ এখনো এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক।
সম্প্রতি এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ড এই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন চুক্তিটির বাস্তবায়ন স্থগিত রেখেছে। তুর্ক বলেন, যেসব দেশ এখনো চুক্তিটি অনুমোদন করেনি, তাদের দ্রুত তা করা উচিত। আর যেসব দেশ চুক্তি থেকে সরে গেছে, তাদের আবার এতে যোগ দেওয়া উচিত।