মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
স্প্যানিশ তারকা ফুটবলারের সাড়ে ৮ বছরের কারাদণ্ড ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা রাজধানীতে ফুটপাতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া শুক্রবারের আগেই যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি প্রকাশ করতে পারেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি ঘোষণার মধ্যে ফের বাগড়া নেতানিয়াহুর প্রথম ৩ ম্যাচে জয় আসেনি, ইরান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচেও পয়েন্ট ভাগাভাগি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে: ট্রাম্প টঙ্গীতে মাদ্রাসাছাত্রকে নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

বিনিয়োগ বাড়াতে কর কাঠামো আরও যৌক্তিক হওয়া দরকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

এবারের বাজেটে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। তবে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর কাঠামো আরও যৌক্তিক হওয়া দরকার।
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর এক মতবিনিময় সভায় এমন মত এসেছে।

রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির জন্য আস্থা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা গঠন’ শিরোনামের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যামচ্যামের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বাজেট নিয়ে অ্যামচ্যামের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি পুনর্ব্যবহৃত তুলার ওপর ভ্যাট অব্যাহতি, স্টার্টআপ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের জন্য শূন্য টার্নওভার ট্যাক্স সুবিধা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর অব্যাহতি ও রিবেটের মতো উদ্যোগকে স্বাগত জানান। এসব ইতিবাচক পদক্ষেপের প্রশংসা করলেও তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসায়ী মহলের কিছু উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে এবং বিনিয়োগ, ব্যবসায় সম্প্রসারণ ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তার জন্য কর কাঠামোর আরও যৌক্তিকীকরণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম. মাসরুর রিয়াজ বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসায়ের ওপর চাপ কমানো, বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের মতো পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজেটটি বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়। তবে বাজেটের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চাভিলাষী ৬.৫% জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য, রাজস্ব আহরণে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, স্থায়ী মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং ব্যাংকিং ও জ্বালানি খাতের দুর্বলতা।
প্যানেল আলোচনায় গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেটের আকার নিয়ে কথা হচ্ছে। বাজেট বড় হওয়ারই কথা। কারণ, এই সরকারের জনগণের প্রতি অনেক প্রতিশ্রুতি ছিল। তাই এটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট। কিন্তু অর্থায়ন বড় চ্যালেঞ্জ।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ব্যাংকের একটি বড় অংশ দুর্বল অবস্থায় আছে। তারল্য সংকট রয়েছে। তাই ব্যাংক ঋণ নির্ভরতা বাড়লে বেসরকারি খাতে ঋণ সংকট হতে পারে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী বলেন, বাজেটে ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ ছিল। তবে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে আরও মনোযোগ দেওয়ার দরকার ছিল। কৃষিতে সেভাবে বরাদ্দ বাড়েনি। তবে এই সরকার আগের যে কোনো সরকার থেকে ব্যবসায়ীদের কথা বেশি শুনেছে।
প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন অ্যামচ্যামের সহসভাপতি ও মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও আলা উদ্দিন আহমদ। সমাপনী বক্তব্য দেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ ও ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এমডি রেজা উর রহমান মাহমুদ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102