সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
বিশ্বকাপ শেষে ফুটবলারদের উদ্দেশে এএফএর হৃদয়ছোঁয়া বার্তা কলমাকান্দায় উপদাখালীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল টলির ধাক্কায় মোটরসাইকেল দুমড়ে-মুচড়ে নিহত ২ যুবক বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে বিশ্বকাপ উৎসর্গ করলেন স্পেনের স্ট্রাইকার স্পেনকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে নিয়ম ভেঙেছেন ট্রাম্প? কী বলছে ফিফা ১২০ মিনিটে স্পেনের পোস্টে একটিও শট নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা আর্জেন্টাইনদের কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার সংঘর্ষ ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
 আবারও উত্তেজনা বেড়েছে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।এতে দক্ষিণ লেবানন ও উত্তর ইসরায়েলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।সর্বশেষ হামলার সময় উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে। আকাশে একাধিক বিস্ফোরণও দেখা যায়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।দক্ষিণ লেবাননের উপকূলীয় শহর টাইরে দিনভর উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখা গেছে। শহরের আকাশে নিচু দিয়ে ড্রোন উড়তে দেখা যায়। একই সঙ্গে যুদ্ধবিমানও উড়তে দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিমানগুলো উত্তর ও পূর্ব দিকে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকটি এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।টাইর ও দ্বেইর এলাকায় অন্তত চারটি হামলার খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি দূর থেকে গোলন্দাজ বাহিনীর গোলাবর্ষণের শব্দও শোনা গেছে। স্থানীয়দের মতে, রাতভর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ চলেছে।অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ জানিয়েছে তারা রাতভর ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলও বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে বলে জানা গেছে।ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ৩ জুন যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর যত হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার বেশির ভাগই লেবাননের ভেতরে অবস্থান করা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমেনি।দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক। ইসরায়েল আগে থেকেই ওই অঞ্চলের অনেক এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর ফলে কয়েক দশ হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।বাসিন্দাদের চলে যাওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের অনেক শহর ও গ্রাম প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে টাইর শহরের আশপাশের এলাকা অনেকটা পরিত্যক্ত নগরীর মতো দেখাচ্ছে। দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের চলাচলও অনেক কমে গেছে।একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে নাবাতিয়েহ শহরেও। বর্তমানে এই এলাকাকে সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ ও সামরিক তৎপরতা এই অঞ্চলে দেখা গেছে।যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকায় সীমান্ত এলাকায় নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102