মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অবৈধ বা চোরাইপথে আসা পশু কোরবানির উপযোগিতা সম্পর্কে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মুফতিরাই সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তিনি চোরাইপথের পশু নয়, সবাইকে বৈধ উৎস হতে শরিয়তসম্মতভাবে কোরবানির পশু কেনার আহ্বান জানান।
আজ সকালে গাবতলী পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানি দেওয়া হয় আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্য। কোরবানি যাতে সহিভাবে ও হালাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, কোরবানির হাটে গবাদিপশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। অসুস্থ পশুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, জ্বর পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা হাটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এবারের কোরবানির জন্য প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে, যেখানে সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় এক কোটি এক লাখ গবাদিপশু। ফলে প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এ পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম দূর করা, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা রোধে সরকার সতর্ক রয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।