রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
চীনের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Sais University-এর সাথে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর যশোরে শিল্পকলা একাডেমি ও পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী সীমান্তে ১৮৯০ পিস ইয়াবা জব্দ, গ্রেফতার ১ ভারতে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ আগুন জাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন আসাদগেটে নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল খাল খনন বিএনপি সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জন – ডেপুটি স্পীকার নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে – ডেপুটি স্পীকার। রিট পিটিশনের জেরে ডিএনসিসির ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস: খিলক্ষেতকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ডিজিডিএ-র বরপুত্র ও কোটি টাকার কুমির মাসোয়ারার মাফিয়া সম্রাট সহিদুল ইসলাম খানের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। (কিস্তি-১)

ডিজিডিএ-র বরপুত্র ও কোটি টাকার কুমির মাসোয়ারার মাফিয়া সম্রাট সহিদুল ইসলাম খানের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। (কিস্তি-১)

উত্তরা নিউজ প্রতিবেদন
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

যার নিয়োগেই অবৈধ তিনি এখন ডিজি’র পিএ হিসেবে বহান তবিয়তে, পরিবারের সদস্যদের দিয়ে গড়েছেন কোম্পানি ও সম্পদের পাহাড়।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদকঃ যার নিয়োগটাই অবৈধ পন্থায়, তিনিই এখন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, অতিরিক্ত দায়িত্বে খোদ ডিজির পিএ হিসেবে সর্বেসর্বা। সেবাগ্রহীতা অনেকেই ভুক্তভোগী ও জিম্মি। বাংলাদেশের স্পর্শকাতর স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অদৃশ্য সিন্ডিকেটের মূল হোতা হওয়ায় বুনে গেছেন অর্থবিত্তের মালিক। বিস্তর অভিযোগের পাহাড় তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অদৃশ্য শক্তির কারণে চুপ নাকি অসহায়? কে এই সহিদুল ইসলাম খান?

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের শক্তিশালী সিন্ডিকেটে গড়ে তুলেছেন রামরাজত্ব, আর প্রভাব প্রতিপত্তির বলয়ে একক ছত্রছায়ার গড়ে তুলেছেন মহারাজার রাজ সিংহাসন। এ যেন এক আলাদিনের চেরাগ। যে চেরাগের টেবিলে বছরের পর বছর অবস্থান করে গড়ে তুলেছেন অবৈধ অর্থের পাহাড়। যেন দেখার কেউ নাই। অভিযোগ উঠেছে যার নিয়োগেই ছিলো অবৈধ পন্থায় সে আজ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সর্বেসর্বা। যার ইশারায় আর অনৈতিক কমিশনে ডিজিডিএ তে উঠে এবং নামে কাগজের ফাইল। এমনকি অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়া টাকায় গড়ে তুলেছেন বহুতল বিশিষ্ট অত্যাধুনিক আলিশান ভবন ও রাজপ্রাসাদ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নানা অনিয়ম,অন্যায়,ঘুষ,দুর্নীতি আর তদবীরবাজ হিসেবে পরিচিত তিনি হলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্তমান ডিজির পিএ সহিদুল ইসলাম খান। এমন কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি নেই যা তিনি করেন না।

তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকাশ, ধরাকে সরাজ্ঞান করে অবৈধ ভাবে নিয়োগ নিয়েছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে মো: সহিদুল ইসলাম খান। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার ডি. পাটুরিয়া কোহালা গ্রামের মো: আব্দুল বাসেদ খানের ছেলে মো: সহিদুল ইসলাম খান। সাঁট লিপিকার- কাম- কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ নিয়েছেন ২০১৫ সালে। স্মারক নং-ডিজিডিএ/প্রশা-২৬/নিয়োগ/০৮(অংশ)/১৩৯৭৬, তারিখ: ২৮/০৯/২০১৫ইং মোতাবেক। অভিযোগ সূত্রে এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক সহিদুল ইসলাম খানের কোন জেলা কোটা ছিলোনা। যার নিয়োগ প্রক্রিয়াটাই ছিল বিধি বহিঃভূত, সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে এবং নিয়োগবিধি উপেক্ষা করে। নিয়োগবিধি এর ধারা ২৫ মোতাবেক স্পেশাল Gazette (The Bangladesh Gazette, Published by Authority Tuesday, May 16, 1978) এর ৮নং ধারা (Age Limit) ভঙ্গ করা হয়েছে। বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৫ সালে শুন্য পদে চাকুরী নিয়ে সহিদুল ইসলাম খান সেই পদকে পদোন্নতির পদ দেখিয়ে সিনিয়রিটি দেখিয়ে লাষ্ট বেতন স্কেলে বেতন নেন। যা সরকারি অর্থ অবৈধ ভাবে নিচ্ছেন এবং সিনিয়রিটি পদ ডিঙ্গিয়ে মোছা: আরিফা খাতুনকে সরিয়ে অনৈতিক পন্থায় তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদ বাগিয়ে নেন। পাশাপাশি বর্তমানে ডিজির পিএ হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এই বিধিবাম সহিদুল ইসলাম খান। একই সাথে একই পদে আরেকজন মো: হাবিবুর রহমান তিনি ২০১৫ সালে চাকরি নিয়ে ২০২২ প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদ থেকে অবসর গ্রহন করেন লাস্ট বেতন স্কেলে। যা সরকারের কাছে থেকে বেতন নিয়েছেন তা সম্পুর্ন অবৈধভাবে নিয়েছেন। অবসর গ্রহন করে যে টাকা পাচ্ছেন সেই টাকা প্রাপ্তিও অবৈধ। এখানেও হাবিবুর রহমান সিনিয়রদের রেখে পদোন্নতি নেন। ২০১৫ সালে চাকুরী হলে তার আগের এখনো কারো পদোন্নতি হয় নি বলে জানা যায়। উল্লেখ্য, এই দুই জনের ক্ষেত্রেই বর্ণিত Gazette এর ৮নং ধারা (Age Limit) ভঙ্গ করা হয়েছে। নিয়োগ পত্র মোতাবেক দুজন প্রার্থী হিসেবে হাবিবুর রহমান এবং সহিদুল ইসলাম খান এই দুজনেই নিয়োগ পান সংশ্লিষ্ট এই পদে।

প্রকাশ, অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালের ২০ মার্চ থেকে মো. সহিদুল ইসলাম খান সাঁট মুদ্রাক্ষরিক পদে চাকরিতে যোগদান করেন। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৬৯টি শূন্যপদে জনবল নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অধিদফতর। ওই বিজ্ঞপ্তির আবেদনে প্রার্থীদের জেলা কোটা ও প্রার্থীর বয়সসহ বেশকিছু শর্ত দেয়া হয় স্পষ্ট ভাবে।

শর্তে বলা হয়, তৃতীয় শ্রেণির ৫৪টি শূন্যপদে টাঙ্গাইল, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কুমিল্লা, চুয়াডাঙ্গা ও বরগুনা জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। সেই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটরের দুটি শূন্যপদের উল্লেখ করা হয়। ওই পদে নিয়োগ পেতে আবেদন করেন মোঃ সহিদুল ইসলাম খান। যেখানে টাঙ্গাইল জেলা আবেদনেই করতে পারবেনা সেখানে নিয়োগ বাগিয়ে নেন কিভাবে এই বিধিবাম চতুর অর্থলোভী সহিদুল ইসলাম খান?

এখানে আরো একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২ ও ৩ নং পদের জন্য সাঁট লিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদটি ক্রমিক নং-১ এ বর্ণিত থাকলেও নিয়োগ আদেশের প্রাপ্তি নথি অনুযায়ী সহিদুল ইসলাম খানকে রাখা হয়েছে ক্রমিক নং-০৮ এ (নিয়োগ আদেশের ২৮/০৯/২০১৫ সালের স্বারক নং- ডিজিডিএ/প্রশা-২৬/নিয়োগ/০৮ (অংশ)/১৩৯৭৬ মূলে তার পৃষ্ঠা-২ এ বর্ণিত)। যেন ২য় পাতায় এ বিষয়ে কারো নজর না আসে। এখানে আরো একটি বিষয় স্পষ্ট যে, জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী ৪৪ বছর বয়সে সে চাকুরী পেয়েছেন অথচ নিয়োগ পত্রে উল্লেখ আছে সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এখানেও বয়স ফাঁকি দিয়েছেন এই বিধিবাম সহিদুল ইসলাম খান। এত কিছু গোপনে এবং অর্থের বিনিময়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুকৌশলে ও ম্যানেজ সিস্টেমেই হয়েছে বলেও মনে করছেন অনেকেই। যার পুরো নিয়োগটাই অবৈধ বলে অনেকেই দাবী করছেন। যা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে এছাড়াও অনেক অজানা আসল রহস্য ও ঘটনা।

এই অর্থলোভী বিধিবাম চতুর সহিদুল ইসলাম খান বর্তমানে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এডিজি’র ভূমিকা পালন করেন ডিজির পিএ থেকে। চাকুরির শুরু থেকে অদ্যাবধি আজও বদলী হয়নি এবং বহাল তবিয়তে আছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে একই ভবনে। তাকে বদলী করার ক্ষমতা খোদ মন্ত্রণালয়েরো নাকি নাই বা করতেও পারবেনা এবং তিনি বদলি হবেন না বলেও গর্বের সাথেই চ্যালেঞ্জ করে বলেন নিজ মুখেই অনেকের কাছে সহিদুল ইসলাম খান। আরো একটি বিষয়ে না বললেই নয়, কারণ সহিদুল ইসলাম খান ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সবাইকে ম্যানেজ করেই চলেন, যেন তার পদে সেখানে অন্য কেউ আসিন হতে না পারেন কিংবা তার পদ হারাতে না হয়। তার চেয়ে অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন লোক থাকার পরও তার হাতেই রয়েছে এই অফিসের সকল তথ্য ভান্ডার। সহিদুল ইসলাম খান তার মতো করেই নিয়ন্ত্রণ করে সব কিছুই। এই সহিদুল ইসলাম খানের কাছে সবাই জিম্মি হয়ে পড়েছে। যেন দেখার কেউ নেই। কেউ মুখ খোলে না ভয়ে কারণ সে ডিজি’র পিএ হিসেবেই থাকে সবসময় পাশে থাকেন। তাই অফিসের কেউ মুখ খুললে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ অন্যত্র বদলি করার হুমকি দেওয়া হয় সহিদুল ইসলাম খান এর পক্ষ থেকে। লেলিয়ে দেওয়া হয় তার গড়া গিরগিটি বাহিনীকে। অপরদিকে সহিদুল ইসলাম খানের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সারাদেশ থেকে আশা সেবাগ্রহীতারা সব সময়ই থাকেন আতংকে। সেবা নিতে আসা ব্যক্তিরা সহিদুল ইসলাম খানের চাহিদা না মিটাতে পারলে বা তার অনৈতিক উৎকোচের চাওয়া টাকার বিরুদ্ধে কোথাও কিছু বলতে চাইলেই তার উপরে পড়ে খড়গ। সেবাগ্রহীতাদের ফাইল থাকেনা, ফাইল হারিয়ে যাবে, একদিনের কাজ মাসের পর মাস পড়ে থাকবে, কোন কাজের অগ্রগতি হবেনা ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী অনেকেই তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা এই দৈনিক উত্তরা পত্রিকার প্রতিবেদককে জানান।

এদিকে সহিদুল ইসলাম খানকে খুশী করতে পারলেই সকল ফাইলের দিনাদিন কাজ শেষ হয়, যে কোন কাগজপত্র ছাড়াই। আর তাতেই হয়ে গেছেন সহিদুল ইসলাম খান আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। এই অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার কারণে যোগ্য অনেক ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি, যার কারণে সরকারসহ আধুনিক যুগের অভিজ্ঞরা বিনা কারণে হারিয়েছে তার চাকুরীর স্থান। আসলে এত বিস্তর অভিযোগ থাকার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চুপ নাকি এক সহিদুল ইসলাম খানের কাছে জিম্মি এমন প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।

অপরদিকে সহিদুল ইসলাম খানের অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সন্ধানে অনুসন্ধানে এবং তথ্য প্রাপ্তিমতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাজিয়া ভিলা, ৩৯, বাসাবো, ঢাকা-১২১৪ নামক ৬ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবনটিতে থাকেন সহিদুল ইসলাম খান। উক্ত বাড়িটি জায়গা ক্রয় করে বাড়ি বানিয়েছেন স্ত্রী সুলতানা রাজিয়ার নামে এই বিধিবাম সহিদুল ইসলাম খান। স্থানীয় কয়েক জনের সাথে কথা বলে যানা যায়, উক্ত বাড়িতেই তার শ্যালক মাসুদ রানাও থাকেন। অবৈধ অর্থের পাহাড় গড়ে তোলায় বাড়ির বিভিন্ন ফিটিংস, কারুকাজ, আসবাবপত্র অনেক উন্নতমানের বলেও জানান অনেকেই। কিভাবে এই বিলাশ বহুল বাড়ি নির্মান করলেন সেটাও প্রশ্ন জনমনে। এই সুবিশাল সুসজ্জিত বাড়ি ছাড়াও আর কোথায় কোথায় জায়গা কিংবা ফ্ল্যাট আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যা আগামী পর্বে প্রকাশিত হবে।

প্রকাশ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী করার সুবাদে ২০১৯ সালে নিজ স্ত্রী সুলতানা রাজিয়াকে চেয়ারম্যান এবং আপন শ্যালক মাসুদ রানাকে এমডি বানিয়ে Nexus Pharmaceutical Ltd. নামক একটি কোম্পানির অনুমোদন করান। এখানেও অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন এই বিধিবাম চতুর অর্থলোভী সহিদুল ইসলাম খান। উক্ত কোম্পানির ঠিকানা দেখানো হয়েছে ভবনের ঠিকানাই ৩৯, উত্তর বাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা। অপরদিকে শ্যালক মাসুদ রানা একটি গাড়ি ব্যবহার করেন Corolla Axio গাড়ি যার নাম্বার ঢাকা মেট্রো-গ ২৮-৭২৯২ । গাড়িটি কার নামে রয়েছে এবং সহিদুল ইসলাম খান কিংবা তার পরিবারের কার কার নামে গাড়ি রয়েছে তা জানতে বি আর টি তে যোগাযোগ করা হয়েছে ইতোমধ্যে।

উল্লেখ্য যে, Nexus Pharma ও ডিসট্রিবিউশন, হার্বাল অনুমোদন নিয়েছে নতুন (ভ্যাট, ইম্পো ভাকসিন) । এখানে ১৪ টি সি আর ও পাস করে নিয়েছে সহিদুল ইসলাম খান। যা অন্য কোন নামি দামি এর কোম্পানি নিতে পারে না। যার এক একটা টেস্ট রিপোর্ট করতে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে খরচ হয় ৬ লক্ষ টাকা। এখানেও ধরাকে সরাজ্ঞান করে সি আর ও এর অনুমোদন নেন এই বিধিবাম সহিদুল ইসলাম খান। কোম্পানিটির চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম খানের স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া এবং এমডি তার শ্যালক মাসুদ রানার নামে রয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন নামে বেনামে। এভাবেই নিজের স্ত্রী ও শ্যালকের নামেই গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট অনেকেই দুদকের অনুসন্ধান টিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র খতিয়ে দেখে আইনাইনুগ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে এবং সকল দুর্নীতি ও অসুদুপায়ে অনৈতিক ভাবে অর্জিত সকল সম্পদের খোজ নিতে ব্যাংক, বীমা, সিটি করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জাতীয় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ভূমি অফিস, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন (রিহ্যাব) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জেলা রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ঢাকা বিভাগ, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে আবেদন করার কথাও জানান অনেকেই।

সহিদুল ইসলাম খানের প্রতিহিংসার স্বীকার ভুক্তভোগী অনেক সচেতন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সেবা গ্রহীতা অনেকের দাবী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই দুর্নীতিবাজ অর্থলোভী সাইফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ডিজির পিএ সহিদুল ইসলাম খান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এ বিষয়ে তিনি বলেন, এর আগেও তিন চার বার এমন নিউজ হয়েছে। আর এগুলো হবেই। অপরদিকে বাসাবো ৩৯ নং এর ৬ তলা বিশিষ্ট বাড়িটি তার শ্যালক মাসুদ রানার বাড়ি বলেও দাবি করেন। তিনি প্রতিবেদককে আরো বলেন- আপনি প্রয়োজনে আপনার এই সংবাদ দুদকে পাঠিয়ে দিবেন তারা ভেরিফাই করবে । যা করার করবে। এর থেকে বেশি কিছু বলার নাই। তবে পরবর্তীতে ঘুষ নেওয়ার কথা স্বীকার করে ক্ষমাও চান বিধিবাম সহিদুল ইসলাম খান। সহিদুল ইসলাম খানের বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো। এ বিষয়ে ততৎকালীন সময়ে তারই নিয়োগকর্তা এবং বর্তমানে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন শফিকুল ইসলামকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেন নি। তাই তার মতামত তুলে ধরা সম্ভব হলোনা।

প্রকাশ, দৈনিক উত্তরা পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের হাতে আসা তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে এবং উল্লেখিত সংবাদে প্রতিবেদকের কোন মনগড়া তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তথ্য প্রাপ্তি এবং সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ সংরক্ষিত নথি পর্যালোচনা পূর্বক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে সংবাদটি প্রকাশ করা হলো। আগামীতে চোখ ধাঁধানো গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে দৈনিক উত্তরায় চোখ রাখুন

বি: দ্র: আগামী সংখ্যায় প্রকাশিত হবে- দে মা দে লুটে পুটে খাই, ডিজিডিএ’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম খানের অবৈধ সম্পদের আমলনামা ও ফিরিস্তি।
বিতর্কিত, অর্থলোভী, দুর্নীতিবাজ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ডিজির পিএ সহিদুল ইসলাম খান এর গড়া অবৈধ অর্থের পাহাড় এবং বিভিন্ন সময়ের দুর্নীতির তথ্য প্রমান, ভিডিওসহ অনেক অজানা তথ্য সম্বলিত খবর আগামী সংখ্যায় প্রকাশিত হবে। বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরকাছে থেকে অর্থ মাসোয়ারা নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্যসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। একের পর এক বেরিয়ে আসবে অজানা অনেক তথ্য ও থলের বিড়াল। ধারাবাহিক প্রতিবেদন চলবে… কিস্তির পর্ব-২ এ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102