বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহীদ মিনারে ‘আলোর মিছিল’

অনলাইন ডেক্স রির্পোট
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘আলোর মিছিল’ কর্মসূচি ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পালন করেছে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়।জাতীয় সংগীত শেষে মোমবাতি জ্বালানোর মুহূর্তে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে এ কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়। এ সময় শিলা বৃষ্টি শুরু হলে সবাই শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান।পরে বৃষ্টি থামলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হল সংলগ্ন গণকবরে মোমবাতি প্রজ্বালন করে শ্রদ্ধা জানান তারা।কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল আলম। তিনি বলেন, “আমরা একাত্তরকে ভুলতে বসেছি। অথচ বাঙালি জাতি যে আজকে এখানে দাঁড়িয়ে আছে, একটা ভূখণ্ড হয়েছে–একাত্তরে যদি মুক্তিযুদ্ধ না হতো, মুক্তিযোদ্ধারা যদি জীবন বাজি রেখে তাদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ জীবন বিসর্জন, রক্ত বিসর্জন দিয়ে শহীদ না হয়ে এই দেশটাকে না আনত, তাহলে আজকে যারা উচ্চস্বরে বলছেন যে ‘আমি অমুক আমি তমুক’, এটা কখনোই সম্ভব হতো না।এই প্রেক্ষাপটই তৈরি হতো না।”তিনি বলেন, ‘আজকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠী এসেছে। তারা বিভিন্ন সময় এ দেশ শাসন করেছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অনেকেই ধারণ করতে পারেনি।অনেকেই সেই মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দেওয়ার জন্য প্রতিপক্ষকে দাঁড় করিয়েছে, যেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক।’‘সরকার পতনে অনেকে ভূমিকা রাখছে, আমিও বলি–স্বৈরাচার নিপাত যাক। কিন্তু তাই বলে কি একাত্তরকে বিসর্জন দিতে হবে? একাত্তরে যারা স্বাধীনতা বিরোধী ছিল তাদেরকে মসনদে বসাতে হবে? এটা কি আমাদের চাওয়া ছিল?।’আলোর মিছিল কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন উদীচী, ছায়ানট, ‘আমরা একাত্তর’ এর পাশাপাশি আরো কয়েকটি সংগঠন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102