রাজধানীর নিকুঞ্জের টানপাড়া এলাকায় সড়ক দখল করে অবৈধ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সংবাদ প্রকাশ করায় বাংলাদেশ টাইমসের মোবাইল জার্নালিস্ট তাসবির ইকবালের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার প্রকাশিত ওই সংবাদের জেরে অভিযুক্তরা প্রথমে সাংবাদিকের বাড়ির সামনে গিয়ে হুমকি-ধমকি দেয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে।
ফেসবুকে কয়েকটি আইডি থেকে তাসবির ইকবালের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট করা হয়েছে। এসব অপপ্রচারের সঙ্গে সবুজ ফায়েজ, রায়হান সানভিম, রিফাত, সাজ্জাদ ও রাশেদসহ কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, টানপাড়ার বাসিন্দা সবুজ ফায়েজ ও রায়হান সানভিম তাদের বাড়ির সামনে সড়কের প্রায় দুই ফুট জায়গা দখল করে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর ও সিঁড়ি নির্মাণ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তারা সাংবাদিক তাসবির ইকবালকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো শুরু করেন।
এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে নিজস্ব কোনো জায়গা নেই। তারা জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা দখল করেই এই নির্মাণকাজ চালাচ্ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সবুজ ফায়েজ ও রায়হান সানভিমসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা এখন পরিচয় পরিবর্তন করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী বলেন, আগে রাস্তার জন্য জায়গা ছেড়ে দিলেও এখন পরিকল্পিতভাবে সেই জায়গা দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
এদিকে তাসবির ইকবাল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে জানান স্থানীয়রা। বিশেষ করে নিকুঞ্জ এলাকায় অটোরিকশা বন্ধের আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিজেদের অবৈধ দখলদারিত্ব আড়াল করতেই একটি চক্র একজন পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিক তাসবির ইকবাল বলেন, সত্যকে কেউ কখনও আটকাতে পারবে না। শত বাধা এলেও ন্যায়ের পক্ষে আমার কলম চলবে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা সবাই চিহ্নিত এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ইমাম হাসান
উত্তরা নিউজ প্রতিবেদক