সরকারি ভবন রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগ বলছে, প্রায় ৫০ বছর আগের প্রযুক্তিতে নির্মিত ভবনগুলোতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যাচ্ছে না। তবে, আবাসন সংকট নিরসনে সংস্কারসহ নতুন বহুতল ভবন নির্মাণে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ জাবের বলেন, সরকারি কোয়ার্টারে থাকার মতো অবস্থা না থাকায় প্রথমে কয়েকদিন একটি আবাসিক হোটেলে কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতে হয়েছে। এখন অফিস থেকে দুই কিলোমিটার দূরে বাসা ভাড়া নিয়ে আছি। এতে অনেক সমস্যা পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আবাসন সংকটের কারণে পার্শ্ববর্তী উপজেলায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হচ্ছে।’ সেখান থেকে কষ্ট করে হলেও নিয়মিত অফিস করতে হয় তাকে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার মণ্ডল বলেন, ‘বাইরে বাসাভাড়া তুলনামূলক বেশি। তাছাড়া অফিস থেকে অনেক দূরে হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে কোয়ার্টারে থাকতে হচ্ছে। সেখানে বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। এ কারণে পরিবার আনতে সাহস পাচ্ছি না।’
কয়রা উপজেলা প্রকৌশলী আবুল ফজেল বলেন, ‘কর্মকর্তাদের থাকার জন্য প্রত্যেক ভবনই বর্তমানে পরিত্যক্ত। তার পরও নিরূপায় হয়েই সেখানে থাকতে হচ্ছে। বিষয়টি উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে।’
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, ‘ভবনগুলোর অবস্থা এতটা খারাপ যে সেখানে থাকার মতো পরিবেশ নেই। ভবনগুলোকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি অনেক আগেই রেজুলেশনের মাধ্যমে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’