বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
দক্ষিণখানের চার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর আলোচনায় ১ ডজন নেতা নির্বাচনে ফলাফল কারচুপির রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে : মিয়া গোলাম পরওয়ার বাগেরহাটে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েবের অভিযোগ বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিরতা নিয়ে আইএমএফের সতর্কতা শ্রীলঙ্কার পথে আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, হামলার আশঙ্কা উত্তরা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল দুর্গাপুরে ৩দিন ব্যাপি হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা শুরু বাংলাদেশের সাবেক কোচ এখন শ্রীলঙ্কা নারী দলের দায়িত্বে ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর চালু করার পরদিনই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানে ‘হামলা না করার শর্তে’ যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি দিল ফ্রান্স

বাগেরহাটে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েবের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ীর অন্তত দুই শ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কের পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখায় এই ঘটনা ঘটে।ঘটনা জানাজানির পর বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংক পরিদর্শন করেছেন। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে বিপুল পরিমান স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন।ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস বলেন, ‘২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর লকারে আমার স্ত্রী, ভাইয়ের স্ত্রী, আমার মা, বোন, ফুফু, খালাসহ পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকারে মজুদ রাখা স্বর্ণ নিতে দেখি কোনো স্বর্ণালংকার নেই।এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানালে তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। একটি ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে স্বর্ণালংকার উধাও হলো সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই।’বাগেরহাট পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন জানান, এক গ্রাহকের কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল তা তিনি এখন দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।পুলিশ এসে ঘটনা তদন্ত করছে। তদন্তের পরই জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কী ছিল।বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, ‘সুমন দাস নামের এক গ্রাহকের ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছেনা এই অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাংকে আসি। ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করেছি। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102