ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় নতুন আশার কথা বলেছেন তার ভাগ্নে মাহমুদ মোরাদকানি। তিনি ফ্রান্সে বসবাস করেন। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। তিনি ইরানের বর্তমান শাসনের বিরোধী।
ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলে নিজের বাড়ি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে ফোনে তিনি বলেন, ‘বেশিরভাগ ইরানির মতো আমিও খুশি। আলি খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় আমি খুব খুশি। আমি মনে করি এটা এক ধাপ অগ্রগতি, এক আশা।’
৬২ বছর বয়সী মোরাদকানি বলেন, ‘যুদ্ধ ও সামরিক হস্তক্ষেপ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে কিছুটা ধীর করে দেয়, এটা কিছুটা দুঃখজনক, তবে হয়তো আমাদের এই ধাপ পার হতে হতো।’
তিনি মনে করেন, খামেনির মৃত্যুর পর বর্তমান শাসনব্যবস্থা টিকে থাকা কঠিন হবে। তার ভাষায়, ‘শাসনের ভেতরের দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে আছে যে তারা তা সামাল দিতে পারবে না, শেষ পর্যন্ত তাদের সরে যেতে হবে এবং ক্ষমতা জনগণের হাতে দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হবে এবং মানুষ রাস্তায় নেমে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবে। এই পরিস্থিতিতে মানুষকে রাস্তায় নামতে, বিক্ষোভ করতে এবং শাসন উৎখাত করতে বলা খুবই কঠিন।’