পিয়ার মোহাম্মদ, আবু বক্কর, রোহান উদ্দীনসহ কয়েকজন ভোক্তা বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মুড়ি পল্লীর এসব লাল মুড়ি হাইড্রোজমুক্ত ও সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদাও থাকে ব্যাপক। কিন্তু বাজারে সাদা ঝকঝকে যে মুড়ি পাওয়া যায় তাতে হাইড্রোজ ও রাসায়নিক মেশানো হয়। বেশিরভাগ মেশিনে ভাজা মুড়িতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক মেশানো হয়, যা খেলে বিভিন্ন রোগ বালাই হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝৃঁকি এড়াতে ও রোজাদারদের দিক বিবেচনা করে মুড়িতে হাইড্রোজ মেশানো রয়েছে কিনা, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে সরকারিভাবে স্খানীয় প্রশাসনের বাজার তদারকি বাড়ানোসহ রমজানে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো উচিত।
জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মাহমুদুল কবির বলেন, খুব শিগগির বাজার তদারকি শুরু করা হবে। যেসব ব্যাবসায়ী আইন অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা বলেন, রমজানে জেলায় ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত পণ্য পৌছেঁ দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী মুড়ি শিল্পের আরো প্রসার ও তা টিকিয়ে রাখতে স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানসহ সরকারি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের হাতে ভাজা লাল মুড়ি জেলার চাহিদা মিটিয়ে আশপাশের জেলায়ও সরবরাহ করা হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি মুড়ি ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।