শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সহ-অর্থ সম্পাদক হলেন বদরুল আলম মজুমদার শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ড সংস্কারের চুক্তি বাতিল, নিষ্ক্রিয় হতে পারে ৪টি কূপ দিনাজপুরে হঠাৎ ঘন কুয়াশা, জনজীবন ব্যাহত উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার সঙ্গে পুতিনের সাক্ষাৎ খুব বিপদে আছি : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বাঞ্ছারামপুরে গণসংযোগে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানালেন জোনায়েদ সাকি ‘বাংলাদেশে ভূমিকম্প-সহনশীল নির্মাণে উচ্চমানের রিইনফোর্সমেন্ট বারের ভূমিকা’ বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোরধারী গ্রিন ফ্যাক্টরি ‘হ্যামস গার্মেন্টস’কে বিজিএমইএ এর বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান ২৪ বছর পর খুলনায় আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা স্বাবলম্বীর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক নির্বাহী পরিচালক বেগম রোকেয়া ইন্তেকাল করেছেন

শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ড সংস্কারের চুক্তি বাতিল, নিষ্ক্রিয় হতে পারে ৪টি কূপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ড সংস্কারের জন্য চলমান কাজের চুক্তি বাতিল করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ চুক্তি বাতিল করা হয়। ‘শ্রীকাইল গ্যাস ফিল্ডের জন্য ওয়েলহেড গ্যাস কম্প্রেসর ক্রয় ও স্থাপন’ নামে প্রকল্পটি কুমিল্লার মুরাদনগরে অবস্থিত বাপেক্স পরিচালিত একটি উৎপাদকশীল গ্যাসক্ষেত্র। দীর্ঘ দিন ধরে চারটি কূপ (কূপ নং-২, ৩, ৪ ও ইস্ট-১) থেকে গ্যাস উত্তোলনের ফলে কূপমুখের চাপ ধীরে ধীরে কমে আসছে। এর ফলে প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট ও বিক্রয় বা ট্রান্সমিশন লাইনের প্রয়োজনীয় ইনলেট চাপ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই যেকোনো সময় চারটি কূপ অকেজো হয়ে পড়তে পারে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্টে গ্যাসের ইনলেট চাপ বৃদ্ধি পেতো। প্ল্যান্ট ও বিক্রয় বা ট্রান্সমিশন লাইনের নির্ধারিত অপারেটিং চাপের ভারসাম্য স্বাভাবিক থাকতো। এ ছাড়া বিদ্যামান কূপ থেকে সর্বাধিক গ্যাস উত্তোলন নিশ্চিত করা সহজ হতো।
২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রকল্পটির পার্চেজ অর্ডার ইস্যু করা হয়। গত ৮ জানুয়ারি চুক্তিটি বাতিল করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
চুক্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এস. সি ইউরো গ্যাস সিস্টেমের কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো গ্রহণযোগ্য কারিগরি বা আর্থিক যুক্তি উপস্থাপন না করেই চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই সংস্কার সম্পন্ন না হওয়ায় চারটি উৎপাদনশীল কূপ খুব দ্রুত অকার্যকর হতে পারে, এতে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব হারাবে বাপেক্স।
সংস্কারের কারণে কম্প্রেসার বসানোর মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ২০ এমএমএসসিএফডি অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদন সম্ভব হতো, যা সরাসরি এলএনজি আমদানি হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করতো।
এ ছাড়া ১৭৮ কোটি টাকায় কাজটি সম্পন্ন করার চুক্তি থাকলেও নতুন করে সরকার টেন্ডার আহ্বান করলে প্রকল্প ব্যায় ৩৫০ কোটি টাকার বেশি সরকারের ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী আড়াই থেকে তিনবছর সময় ক্ষেপন হবে যার ফলে খরচ বৃদ্ধি পাবে।
চলমান প্রকল্পটি আগামী একবছরের মধ্যেই সম্পন্ন করা সম্ভব বলে জানিয়েছে চুক্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে, দেশীয় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি, শত শত কোটি টাকা সাশ্রয় এবং আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসতো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102