জয়ের বিকল্প নেই এমন সমীকরণ সামনে রেখে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। শুরুতে ব্যাটাররা দারুণ শুরু করলেও পরে শরিফুল-মেহেদীদের বোলিং-জাদুতে ১২৬ রানে থেমে যায় নোয়াখালীর ইনিংস। যার মধ্যে শরিফুল একাই নিয়েছেন পাঁচ উইকেট।
নোয়াখালীর ব্যাটাররা শুরুর তিন ওভারে স্কোর বোর্ডে জমা করেন ৩৪ রান।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে শেখ মাহাদি হাসানের প্রথম বলে সৌম্য সরকার বোল্ড আউট হলে ভাঙে নোয়াখালীর ১৯ বলে ৩৪ রানের ঝোড়ো ওপেনিং জুটি। একটি করে চার ও ছক্কার মারে সাজঘরে ফেরার আগে সৌম্য সরকার করেন ১৪ রান।
আগের ম্যাচে দূর্দান্ত ইনিংস খেলা আরেক ওপেনার হাসান ইসাখিলও বেশিক্ষণ ঠিকতে পারেননি ক্রিজে। পাওয়ার প্লের শেষ বলে শরিফুল ইসলামের বলে ২০ বলে ২৫ রান করে মাহাদির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইসাখিল।
এতে পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে নোয়াখালীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৯ রান।
এরপর ব্যাটিং পজিশনে পদোন্নতি পাওয়া জাকের আলী অনিক ও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হায়দার আলী দলকে বড় স্কোরের আশা দেখালেও সফল হতে পারেননি।
দলীয় ৭৮ রানে মেহেদির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দেন হায়দার আলী (১২)। এরপর দলীয় ৮৬ রানে আমের জামালের বলে এলবিডব্লিও হয়ে সাজঘরে ফেরেন জাকের আলী।
আউট হওয়ার আগে জাকের আলী ২২ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলেন।
এরপর স্কোরবোর্ডে মাত্র ২০ রান যোগ করতে নোয়াখালী হারায় আরো ৪ উইকেট। এতে ১০৬ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে সৌম্য-জাকেররা।
শেষ দিকে শরিফুলের বোলিং তোপে আর স্কোর বড় করতে পারেনি নোয়াখালী। শেষ দিকে সাব্বির হোসাইন করেন ১৯ বলে ২২ রান।
শেষ পর্যন্ত নোয়াখালীকে ১২৬ রানে থামিয়ে দেন শরিফুল। চট্টগ্রাম দলের তারকা পেসারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন স্পিনার মেহেদী।