শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
এসডিআই, এডাস্ট এবং বাংলাদেশ ভ্যাট প্রফেশনালস ফোরামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে মেক্সিকো জীবন্ত মানুষকে খাচ্ছে পোকা, খবর পেয়ে ছুটে গেলেন এমপি! জীবন্ত মানুষকে খাচ্ছে পোকা, খবর পেয়ে ছুটে গেলেন এমপি, এস এম জাহাঙ্গীর জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য সঠিক নীতিমালা এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা লালমনিরহাটে নিহত শিশু নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সবুজায়ন, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি দুর্গাপুরে বড় ভাইয়ের ঘরের বারান্দা থেকে ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সংস্কৃতি মন্ত্রী’র সাথে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: ফুটবল ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে আরও দৃঢ় হচ্ছে বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা মৈত্রী বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

কল্যাণ ফান্ডে আটকে পড়া টাকা, অসুস্থ শিক্ষকের জীবন সংকটে

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ‘ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমি’র ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মিজানুল হক আজ বিছানায় শয্যাশায়ী। দীর্ঘ ৩০ বছর শিক্ষকতা করে মানুষ গড়ার কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু বর্তমানে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষ খুবই কম। অবসরের তিন বছর পরেও তিনি পাননি তার প্রাপ্য অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা, যা ছিল তার শেষ সম্বল।ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনির জটিল রোগে আক্রান্ত মিজানুল হক আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও নিতে পারছেন না। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের ওরাবাঁশবাড়ি গ্রামে তার বাড়ি। স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর অবসরে গিয়ে অবসর সুবিধা বোর্ড ও শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। তার একমাত্র ছেলে ২০০৮ সালে আত্মহত্যা করে।স্ত্রী সাজেদা খানমও বয়সজনিত কারণে চলাফেরা করতে অক্ষম। মেয়ে সামিয়া আক্তারের বিয়ের পর তিনি ও তার মা নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন।মেয়ে সামিয়া আক্তার বলেন, ‘আমার বাবা একজন সৎ ও আদর্শবান শিক্ষক ছিলেন। এখন তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি।টাকার অভাবে তার চিকিৎসা করাতে পারছি না। সরকার যেন দ্রুত তার প্রাপ্য টাকা প্রদান করে।’ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘একজন শিক্ষক সারাজীবন বেতন থেকে টাকা জমা রাখেন। অবসরের পরে যদি সেই টাকা না পান, তাহলে মৃত্যুর পর পেয়ে কী লাভ?’ আগৈলঝাড়া মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফারহানা আক্তার বলেন, ‘মিজানুল হক স্যারের মতো আর কোনো শিক্ষক যেন বঞ্চনার শিকার না হন। আমরা দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তার অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা প্রদান করা হোক।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রীও দ্রুত তার প্রাপ্য অর্থ প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বণিক বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতাম না। এখনই যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করব।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102