বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
মদন পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন রফিকুল ইসলাম আকন্দ ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাপুরে কোরবানির হাটে ক্রেতা সংকট, দুশ্চিন্তায় বিক্রেতারা ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগ : বন্যহাতির আক্রমণরোধে প্রকল্প গ্রহণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। আজ হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর, তাঁবুতে হাজীদের খোঁজ নিচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী কৃষকের টেকসই উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী ঈদে বাড়ি ফেরার পথে অজ্ঞাত বাহনের চাপায় বাবা-মেয়ে নিহত তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুুবক গ্রেফতার কথা কাটাকাটির জেরে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে; সরে যাচ্ছেন নিরাপদ স্থানে

ন্যাশনাল ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
সংগৃহীত ছবি | উত্তরা নিউজ

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি সমতল রেকর্ড হয়েছে ৫২.৩৩ মিটার, যা বিপদসীমা (৫২.১৫ মিটার) থেকে ১৮ সেন্টিমিটার বেশি।

এর আগে গতকাল বুধবার সকালে বিপৎসীমা অতিক্রম করে পানি ৭ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছিল, পরে তা নেমে আসে ৪ সেন্টিমিটারে। তবে রাতের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বৃহস্পতিবার আবারও তা বেড়ে ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে পৌঁছায়।

পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, সদর ও পাটগ্রাম উপজেলার শতাধিক গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে তিস্তার বাম তীরবর্তী এলাকায় তৃতীয় দফায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ডুবে গেছে গ্রামীণ সড়ক, বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও গবাদি পশুর খামার।

গোবর্ধন এলাকার বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, “পানি ঢুকেছে ধীরে ধীরে। রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে, বাচ্চারা স্কুলেও যেতে পারছে না। অসহায় হয়ে পড়েছি।”

কৃষক হামিদুর রহমান জানান, “নিচু এলাকায় পানি ঢুকে ফসলি জমি ও পশুপাখি নিয়ে বিপাকে পড়েছি। প্রশাসনের দ্রুত সহায়তা প্রয়োজন।”

মহিষখোচা ইউনিয়নের এনামুল হক বলেন, “এমন পানির মধ্যে কথা বলারও অবস্থা নেই। সকাল থেকে খাবার পাইনি। বারবার বন্যায় জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।”

চরাঞ্চলের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, “নদীর পানি বেড়ে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। আকাশের পানি আর নদীর পানি এক হয়ে গেছে। মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানান, “ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102